সিবিআই ও মুচিপাড়া থানায় হাজিরা, বৃহস্পতিবার কলকাতায় আসছেন ম্যাথু স্যামুয়েল
২৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন নারদ সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েল। ২৯ অক্টোবর নারদ কাণ্ডে সিবিআই আধিকারিকদের ডাকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরাও দেবেন তিনি। পরের দিন তোলাবাজি কাণ্ডে তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছে মুচিপাড়া
২৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন নারদ সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েল। ২৯ অক্টোবর নারদ কাণ্ডে সিবিআই আধিকারিকদের ডাকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরাও দেবেন তিনি। পরের দিন তোলাবাজি কাণ্ডে তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছে মুচিপাড়া থানা।

দীর্ঘদিন পরে কলকাতায় আসছেন নারদ সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েল। ইতিমধ্যেই স্পাইশজেট সংস্থার টিকিট কেটেছেন তিনি। ২৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বেলা ১১.৪০-এ দমদম বিমানবন্দরে তাঁর আসার কথা।

নারদ তদন্তে ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় দফার তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। আধিকারিক রঞ্জিত কুমারের নেতৃত্বে চলছে তদন্ত। সিজিও কমপ্লেক্সে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদের পর বাড়ি ও অফিসে যাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানকার ছবি তোলা হচ্ছে। মূলত অভিযুক্তরা বাড়ি কিংবা অফিস, যেখানে বসে নারদকর্তার থেকে টাকা নিয়েছিলেন সেইসব জায়গার ছবি তুলছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভায় মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অ্যান্টিচেম্বারের ছবিও তোলা হয়েছে। ছবি তোলা হয়েছে ইকবাল আহমেদের হোটেলেরও। মার্কুইজ স্ট্রিটে ইকবাল আহমেদের হোটেলে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে মিলিত হয়েছিলেন ম্যাথু স্যামুয়েল। একইভাবে মদন মিত্রের ফ্যাট, অপরূপা পোদ্দারের বাড়ি, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাওড়ার অফিস, সাংসদ থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর হলদিয়ার অফিসের ছবিও তুলেছে সিবিআই। তাদের তোলা ছবির সঙ্গে ম্যাথু স্যামুয়েলের স্টিং অপারেশনের সময় তোলা ছবি মিলিয়ে দেখছেন সিবিআই আধিকারিকরা। এককথায় ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতেই সিবিআই-এর এই পদক্ষেপ।
সম্প্রতি মুকুল রায়ের বাড়ি যেতে চেয়ে সিবিআই ফোন করলেও, এসএমএস করে সময় চেয়ে নেন মুকুল রায়।
দ্বিতীয় দফার তদন্তের সঙ্গে আরও বেশ কিছু তথ্যের প্রয়োজন পড়েছে সিবিআই-এর। সেই তথ্য একমাত্র ম্যাথু স্যামুয়েলই দিতে পারবেন। অর্থাৎ ম্যাথু স্যামুয়েলকে জেরা করেই মিলতে পারে সেই সব প্রশ্নের উত্তর। ঘটনার পুনর্নির্মানে যা সাহায্য করবে সিবিআইকে।
এর আগে জুন ও জুলাই মাসে কলকাতায় এসেছিলেন ম্যাথু স্যামুয়েল। ১৪ জুন এসেছিলেন মুচিপাড়া থানায় তোলাবাজি কাণ্ডে হাজিরা দিতে। সেই সময় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কলকাতা পুলিশকে চিঠিও দিয়েছিলেন ম্যাথু। এরজন্য কলকাতা পুলিশকে বিমানের টিকিটের কপিও পাঠিয়েছিলেন তিনি। যদিও ম্যাথুর অভিযোগ ছিল কলকাতা পুলিশ নিরাপত্তার বিষয়ে কিছুই জানায়নি। সেই সময় কলকাতা এসে কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগও করেছিলেন নারদ সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েল। ১৯ জুলাই ম্যাথু স্যামুয়েল কলকাতায় এসেছিলেন সিবিআই-এর ডাকে হাজিরা দিতে।












Click it and Unblock the Notifications