নন্দীগ্রামই বেছে নেবে কে বাংলার ভবিষ্যৎ- মমতা ও শুভেন্দুর অগ্নিপরীক্ষা একুশে
নন্দীগ্রামই বেছে নেবে কে বাংলার ভবিষ্যৎ- মমতা ও শুভেন্দুর অগ্নিপরীক্ষা একুশে
এই নন্দীগ্রামই বাংলায় পরিবর্তনের সোপান হয়ে উঠেছিল। ২০০৭-এ নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের পর ২০১১-য় বাংলায় পরিবর্তনের সরকার গড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাঁর পরিবর্তনের একনিষ্ঠ সঙ্গী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কালের নিয়মে তাঁরা আজ পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী। এবার এমনই এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, নন্দীগ্রামই বেছে নেবে বাংলার ভবিষ্যৎ কে!

২০১৯-এ বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের প্রথম সরাসরি লড়াই
২০১৯-এ বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের প্রথম সরাসরি লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনেও শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান প্রচারকদের অন্যতম। তিনিই ৪২-এ ৪২ স্লোগান তুলেছিলেন তৃণমূলের হয়ে। কিন্তু ২০১৯-এর ভোটে বাংলায় বিজেপির উত্থান হয়েছিল, ২ থেকে বেড়ে ১৮ হয়েছিল বিজেপি। আর তৃণমূল ৪২ তো দূর অস্ত ৩৪ থেকে কমে ২২ হয়েছিল।
২

২০১৯-এর পথ ধরে একুশের নির্বাচন জিততে আগ্রহী বিজেপি
২০১৯-এ তৃণমূলের স্লোগান ব্যর্থ হয়েছিল। সেই ব্যর্থতার পথ ধরে বিজেপি বাংলায় শক্ত জায়গা করে নিতে শুরু করে। ২ থেকে বেড়ে ১৮ হওয়ার পর বিজেপির ধারণা হয়, তাঁরা বাংলার শাসন ক্ষমতা থেকে তৃণমূলকে হটাতে সমর্থ হবে একুশে। ২০১৯-এর সাফল্য যে পথ ধরে এসেছিল, সেই পথ ধরেই একুশের নির্বাচন জিততে অগ্রসর হয় বিজেপি।

মুকুলের দোসর শুভেন্দু-রাজীবের মতো প্রাক্তন ‘তৃণমূলী’রা
২০১৯-এ একা মুকুল তৃণমূলকে ঘাস ধরিয়ে দিয়েছিলেন। এবার মুকুল রায়ের দোসর হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী আবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো তৃণমূলীরা। মুকুলের হাত ধরে শুভেন্দু দল ছাড়তেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গড় রক্ষায় নিজেকে নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তারপর বিজেপিও নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীকে বেছে নেয়।

বাংলায় কি মমতাই শেষ কথা, নাকি ভবিষ্যৎ শুভেন্দু
ফলস্বরূপ নন্দীগ্রাম এবার হয়ে উঠেছে মোস্ট হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র। পরিবর্তনের পীঠস্থানে এবার লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর। বাংলায় যে এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই শেষ কথা, তা বোঝাতে এই কেন্দ্রে তাঁকে জিততেই হবে। আবার শুভেন্দু যে বাংলার ভবিষ্যৎ তা বোঝাতে হারাতে হবে মমতাকে।

একেবারে প্রত্যক্ষ লড়াইয়ে নেমেছেন মমতা ও শুভেন্দু
কোনও পরোক্ষ লড়াই নয়, একেবারে প্রত্যক্ষ লড়াইয়ে নেমেছেন মমতা ও শুভেন্দু। সম্মুখ সমরে যে জিতবেন, তিনিই হবেন বাংলার মুখ। বাংলার ভবিষ্যৎ এবার বেছে নেওয়ার অধিকার পেয়েছে নন্দীগ্রাম। যে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পথ ধরে বাংলায় বাম জমানার অবসান ঘটেছিল, সেই নন্দীগ্রামই এবার বেছে নেবে বাংলার ভবিষ্যৎক।

কাকে বেছে নেয় নন্দীগ্রাম, নজর রাজনৈতিক মহলের
সুদূর নন্দীগ্রাম থেক বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী হওয়া এবার বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। নন্দীগ্রামের স্থানীয় মানুষও খুশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এখান থেকে প্রার্থী দেখে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আবার শুভেন্দু জেলারই ছেলে। তিনি আবার নন্দীগ্রামের ভোটার হয়ে 'ভূমিপুত্র' হয়েছেন। তাই কাকে বেছে নেয় নন্দীগ্রাম, সেদিকে নজর রাজনৈতিক মহলের।












Click it and Unblock the Notifications