ছোট কেষ্টদের খুঁজে বের করার আহ্বান! গরম জলে হাত-পা পুড়তে পারে, ফিরহাদ হাকিমকে সতর্ক করলেন দিলীপ ঘোষ
নিকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণ। সেই সময়ই ফের একবার তৃণমূলকে নিশানা দিলীপ ঘোষের। এদিন তিনি মিডডে মিলে কেন্দ্রীয় দল এবং মমতার সফরে বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডলের ছবি না থাকা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ছাঁটতে ৭ দিন আর অনুব্রত মণ্ডলকে ছাঁটতে কেন সাত মাস সময়, প্রশ্ন তুললেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি সিবিআই-অর কাছে ছোট কেষ্টদের খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন।

মমতার সফরে নেই অনুব্রতর ছবি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বীরভূম সফরে নেই জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডলের ছবি। এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ছাঁটতে সাত দিন লেগেছিল। অনুব্রত মণ্ডলকে ছাঁটতে প্রায় সাতমাস সময় লাগল। কারণ, প্রথমজনের কাছে সাড়ে তিনশো কোটি পাওয়া গিয়েছে আর পরের জনের কাছে সাড়ে পাঁচশো কোটি পাওয়া গিয়েছে। কে কত টাকা পার্টিকে দিয়েছে, সেই অনুযায়ী গুরুত্ব দলের কাছে, সেই মতো সম্পর্ক ছেদ করতে সময় নিচ্ছে, কটাক্ষ করে বলেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি। তিনি আরও বলেছেন, বাঘ খাঁচায় চলে গিয়েছে, এবার শেয়াল, খ্যাক শিয়ালরা ধরা পড়ছে। তিনি বলেছেন, ১০ শতাংশরা ধরা পড়ছে, কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত ৮০-৯০ শতাংশরা ধরা পড়ছে, ততক্ষণ এর মূলে যাওয়া সম্ভব নয়।

মিড ডে মিলে কেন্দ্রীয় দল
এদিন থেকে রাজ্যের ৪ জেলায় মিড ডে মিল নিয়ে তদন্তে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় দল। শাসক তৃণমূলের তরপে মিড ডে মিল নিয়ে আশঙ্কাপ্রকাশ করা হয়েছে। যাকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন,
ওরা সুযোগ খুঁজছিল। যেমন সারদা-নারদা টাকা দিতে শুরু করার পর তদন্তের শুরুর অছিলায় সেটা বন্ধ করে দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, এমন অনেক প্রকল্প রয়েছে, ঘোষণার পরে যখন দেখে গণ্ডগোল ধরা পড়বে, সেই সময় তা না হওয়ার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়। দিলীপ ঘোষের প্রশ্ন তদন্তে কেন ভয় পাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, মিড ডে মাংস খাওয়ানোর কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু টিকটিকি আর সাপের মাংস খাওয়ানোর কথা তো বলা হয়নি। সব জায়গায় চুরি আর ঘাপলা, সেই জন্যই কেন্দ্রীয় দল, বলেছেন তিনি।

অনুব্রত ছাড়া বীরভূমে পঞ্চায়েত ভোট
এবার অনুব্রত মণ্ডল ছাড়াই বীরভূমে পঞ্চায়েত ভোটে নামতে চলেছে তৃণমূল। এব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, অনুব্রত মণ্ডল তো বীরভূমে ছিলেন। কিন্তু রাজ্যের অন্য অনেক জেলাতেও মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি। গুণ্ডাদের টিকিট দেবে, তারা বোম-বন্দুক-পুলিশকে নিয়ে নির্বাচন জয় করবে। এ জিনিস গত পুরসভা নির্বাচনে দেখা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে কেষ্ট মণ্ডল তৃণমূলের বাই প্রোডাক্ট। বাকি অনেক ছোট কেষ্ট রয়েছে। তিনি বলেন, সিবিআই-এর কাজ হল এইসব ছোট কেষ্টদের বের করা।

অযোগ্যতা থেকে দৃষ্টি ফেরানোর চেষ্টা
রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মীরা নয়, আল্দোলন করছে সিপিএম। এব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, অযোগ্যতা ঢাকতে নজর ঘোরানোর চেষ্টা। তাঁর প্রশ্ন ববি হাকিম কী কর্পোরেশন থেকে বসে দেখে নিয়েছেন ওই কর্মীরা কোন দিকে রয়েছেন। তিনি বলেছেন, যেভাবে জল গরম হচ্ছে হাত-পা পুড়ে যাবে। সাবধানে থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications