Nabanna Chalo: নবান্ন চলোয় বিপুল জমায়েত, জেলা থেকে কলকাতায় যাতায়াতে কোন রাস্তাগুলি ধরার পরামর্শ পুলিশের?
Nabanna Chalo: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিতে আজ নবান্ন চলোর ডাক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। যে কর্মসূচিকে বেআইনি আখ্যা দিয়েছে পুলিশ।
নবান্ন যাওয়ার বিভিন্ন পথে পুলিশ ব্যারিকেড রেখেছে। বৃষ্টির মধ্যেই পথে নেমেছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা। এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন কয়েক হাজার প্রতিবাদী।

অনেক মানুষ নানা কাজে কলকাতায় আসেন বিভিন্ন জেলা থেকে সড়কপথে। নবান্ন চলো অভিযানের আবহে সাধারণ মানুষের জন্য হাওড়া সিটি পুলিশের তরফে পথ নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, কোন পথ এড়িয়ে কলকাতায় গেলে সুবিধা হবে।
১৬ নং জাতীয় সড়ক ধরে কোলাঘাটের দিক থেকে আসা যানবাহনকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু ধরার পরিবর্তে নিবরা থেকে নিবেদিতা সেতু হয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ডানকুনির দিক থেকে যে যানবাহনগুলি দ্বিতীয় হুগলি সেতু ধরে কলকাতায় যায় তাদেরও নিবেদিতা সেতু ধরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কলকাতা থেকে আসা হাওড়াগামী যানবাহনকে হাওড়া ব্রিজ বা দ্বিতীয় হুগলি সেতু না ধরে, নিবেদিতা সেতু দিয়ে যাওয়ার পরামর্শ পুলিশের। হাওড়া স্টেশন থেকে কলকাতাগামী যানবাহন, যারা হাওড়া ব্রিজ বা দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজ ধরতে চায়, তাদের জিটি রোড ধরে কলকাতার দিকে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, সেক্ষেত্রেও ভরসা নিবেদিতা সেতু।
নিবরা এবং দ্বিতীয় হুগলি সেতুর মধ্যে কোনা এক্সপ্রেসওয়ে, আলমপুর এবং লক্ষ্মী নারায়ণতলা মোড়ের মধ্যে আন্দুল রোড, মল্লিকফটক ও বেতাইতলার মধ্যে জিটি রোড, মন্দিরতলা এবং দ্বিতীয় হুগলি সেতুর মধ্যে, কাজীপাড়া ও দ্বিতীয় হুগলি সেতুর মধ্যে, ফোরশোর রোড-কাজীপাড়া থেকে রামকৃষ্ণপুর ক্রসিং, হাওড়া রেল স্টেশন থেকে গ্র্যান্ড ফোরশোর রোড, এইচএম বোস রোড/আরবি সেতু/এইচআইটি ব্রিজ থেকে হাওড়া ব্রিজ, এইচআইটি ব্রিজ থেকে আরবি সেতু ও এমবি রোড থেকে এনএস রোড-মল্লিকফটকে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত হবে।
বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই হাওড়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সকাল থেকেই বৃষ্টির মধ্যেই পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিভিন্ন পয়েন্টে এসে পরিদর্শন করছেন। পুলিশ সূত্রে খবর একাধিক পয়েন্টে বড় ব্যারিকেড তৈরির পাশাপাশি নামানো হচ্ছে পুলিশ, র্যাফ এবং কমব্যাট ফোর্স। সাঁতরাগাছি, হাওড়া ময়দান, ফোরশোর রোড এবং লক্ষীনারায়ণতলা এবং মন্দিরতলায় বড় ব্যারিকেড তৈরি করা হচ্ছে। নবান্নের আশেপাশে গলির মুখগুলোতেও ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে।
থাকছে জল কামান এবং ড্রোনের ব্যবস্থা। পুলিশ সূত্রে খবর নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখভালের জন্য চারজন আইজি র্যাঙ্কের পুলিশ অফিসার ছাড়াও ডিআইজি এবং এসপি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। প্রায় দুই হাজারের বেশি পুলিশ কর্মীকে রাস্তায় নামানো হবে। এর জন্যে হাওড়া ছাড়াও কলকাতা সহ বিভিন্ন পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশকর্মীরা আসছেন। আজ সকালে সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্ডের কাছে, হাওড়া ময়দানের কাছে দেখা গেল ব্যারিকেড তৈরির কাজ পুরোদমে চলছে। হাওড়া সিটি পুলিশের পদস্থ কর্তারা ব্যারিকেড তৈরির কাজ দেখভাল করছেন।
এদিকে, নবান্ন অভিযানে যাওয়ার পথে আন্দোলনকারীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। পানাগড় স্টেশনে ঢোকার পথেই ওভারব্রিজ থেকে আন্দোলনে যোগদান করতে যাওয়া ব্যক্তিদের হঠিয়ে দেয় পুলিশ। স্টেশন থেকে পুলিশ তাঁদের বের করে দিলেও যে কোনও মূল্যে তাঁরা নবান্ন অভিযানে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications