Nabanna Chalo: হাওড়া ময়দান উত্তপ্ত, মাথা ফাটল পুলিশের, তৃণমূলের দুষ্কৃতীদেরই কাণ্ড বলে দাবি প্রতিবাদীদের
Nabanna Chalo: নবান্ন চলো কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হাওড়া ময়দান এলাকা। বিক্ষোভকারীদের ইটবৃষ্টির মুখে পড়ে পিছু হঠতে হলো পুলিশকে।
এরই মধ্যে আহত হলেন চণ্ডীতলার সিআই সন্দীপ কুমার গঙ্গোপাধ্যায়। ইটের আঘাতে মাথা ফাটায় তাঁকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে।

পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বাঁধে এদিন হাওড়া ময়দানে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইটবৃষ্টি চলতে থাকে। পুলিশের লাঠি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টাও হয়। যার জেরে পুলিশকে কিছু সময়ের জন্য পিছু হঠতে হয়। এরপর পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। জলকামান ছোড়ার পাশাপাশি টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটানো হয়।
আটক করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। আন্দোলনকারীদের দাবি, তাঁদের মিছিল চলছিল শান্তিপূর্ণভাবেই। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই মিছিলে মিশে গিয়ে পুলিশের উপর আক্রমণ চালিয়েছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আন্দোলনের অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য।
হাওড়ার ফোরশোর রোডের রামকৃষ্ণপুরের কাছেও আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। জলকামানের ব্যবহারও করা হয়। পিটিএসের কাছেও জলকামান ব্যবহার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সাঁতরাগাছি, হাওড়া ব্রিজের মুখেও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ।
সাঁতরাগাছিতে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। যার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটায়। পথে বসেই প্রতিবাদ চালাতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। এরপর ঘটনার রেশ গিয়ে পড়ে সাঁতরাগাছি স্টেশনেও।
রেল লাইনের পাথর, ইট ছোড়া হয় পুলিশকে লক্ষ্য করে। লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় পুলিশ। ইটের আঘাতে র্যাফের একজনের মাথা ফাটে। ফলে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের নবান্ন চলো কর্মসূচিতে এড়ানো গেল না রক্তপাত।
কলকাতার মহাত্মা গান্ধী রোডেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেখানেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলের উপর পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করেছে, টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটিয়েছে।
সকাল থেকেই এই ব্যস্ত রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলেও আন্দোলনকারীরা পথেই প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের বক্তব্য, আজ পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের অরাজনৈতিক প্রতিবাদ কর্মসূচি দমাতে এত পুলিশকর্মীকে নামানো হয়েছে। এর চেয়ে অনেক কম সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন থাকলে আরজি কর হাসপাতালে দুষ্কৃতী তাণ্ডব তো এড়ানো যেত।
এদিকে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষের উপর অত্যাচারের খবর পাচ্ছি। লাঠিচার্জ, জলকামানের মুখে পড়ে অনেকে আহত। এই অত্যাচার অবিলম্বে বন্ধ না করা হলে কাল বাংলা স্তব্ধ করে দেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications