তৃণমূলে পাসওয়ার্ড রহস্য! আইপ্যাকের দিকে আঙুল উঠতেই ঘনিষ্ঠমহলে যা বললেন প্রশান্ত
প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চরম বিপত্তি! তালিকাতে একাধিক বিধায়কের নাম। শুধু তাই নয়, পরিবারতন্ত্রে রাশ টানার কথা বলেও এক পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তিকে রাখা হয় প্রার্থী তালিকাতে। এমনকি বিজেপি থেকে তৃণমূলে আসেননি এমন লোকজনকেও রাখা হ
১০৮ পুরসভা পুরসভার প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চরম বিপত্তি! তালিকাতে একাধিক বিধায়কের নাম। শুধু তাই নয়, পরিবারতন্ত্রে রাশ টানার কথা বলেও এক পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তিকে রাখা হয় প্রার্থী তালিকাতে। এমনকি বিজেপি থেকে তৃণমূলে আসেননি এমন লোকজনকেও রাখা হয় নাকি তালিকাতে।

আর এহেন অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই হৈহৈ কাণ্ড। বাংলা জুড়ে আঙুল জ্বলতে থাকে কার্যত। আর এরপরেই আসরে নামেন তৃণমূল নেতারা। পুরো ঘটনার দায় চাপানো হয় প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার উপরে। তাঁদের ভুলেই নাকি ভুয়ো প্রার্থী তালিকা ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ।
আজ শনিবার এই প্রসঙ্গে কার্যত বিস্ফোরক মন্তব্য করেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, "টিকিটের চাহিদা খুবই বেশি। কিন্তু পার্থদা, বক্সীদারা অনেক কষ্ট করে সকলের সঙ্গে কথা বলে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আইপ্যাকের লিস্টও নিয়েও নেতৃত্ব কথা বলেছে বলেও দাবি ফিরহাদের।
শুধু তাই নয়, চূড়ান্ত হওয়ার আগেই বিভ্রান্ত করার জন্য অনেকেই লিস্ট তৈরি করেছেন। আমিও একটা তালিকা তৈরি করে দিয়েছি। কিন্তু সেটা ছড়িয়ে দেওয়াটা অন্যায়। আমার কাছে ওয়েবসাইটের পাসওয়ার্ড রয়েছে বলে সেটা আমি হঠাৎ করে দিয়ে দিলাম এটা অন্যায়। এই পাসওয়ার্ডটাই কেউ অন্যায়ভাবে ব্যবহার করেছে। সুতরাং এটা অন্যায়। যে তালিকা সুব্রত বক্সী সই করে দিয়েছেন সেটাই চূড়ান্ত তালিকা বলে দাবি কলকাতার মেয়রের। আর এখানে স্পষ্ট যে পুরো ঘটনার দাবি আইপ্যাকের উপরেই দেওয়া হয়েছে।
কার্যত তালিকা প্রকাশের পরেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরি। তাঁর মতে, যে সংস্থা পুরসভাতে সমীক্ষার কাজ করছিলেন তাঁরাই এই কাজ করেছেন। কৃষ্ণেন্দুর অভিযোগ, প্রার্থী তালিকাতে বিজেপি থেকে আসা নেতাদের নাম রাখা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, বিজেপিতে রয়েছেন এমন নেতাও নাকি তালিকাতে আছেন বলে অভিযোগ। কার্যত কামারহাটি অবরুদ্ধ করার ডাক বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের। প্রার্থী পছন্দ না হওয়াতে এই হুঁশিয়ারি। এই প্রসঙ্গে মদন মিত্র বলেন, আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলব।
যদিও এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনও দায় নেই বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার তরফে। সংস্থার দাবি, বাংলায় পুরভোট নিয়ে সংস্থা কোনও কাজ করছে না। ফলে পুরভোটের জন্য প্রকাশিত কোনও প্রার্থিতালিকার সঙ্গেই তারা জড়িত নয়। যদিও সরকারি ভাবে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের তরফে কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি। তবে সংস্থার কর্ণধার প্রশান্ত তাঁর ঘনিষ্ঠমহলে এমনটাই জানিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications