Murshidabad: রাজমিস্ত্রির ভেক ধরেও রক্ষা হল না, হরগোবিন্দ-চন্দন খুনে ডোমজুড়ে পুলিশের জালে ফেকারুল শেখ
Murshidabad: ওয়াকফ আইনের নামে প্রতিবাদে খুনোখুনি চলেছে মুর্শিদাবাদে। সামশেরগঞ্জের জাফরাবাদে বাবা ও ছেলেকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় ফের একজনকে গ্রেফতার পুলিশের। এই নিয়ে মোট গ্রেফতারি বেড়ে দাঁড়াল ৫। হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাস খুনে পঞ্চম গ্রেফতারি হাওড়ার ডোমজুড় থেকে। অভিযুক্ত ফেকারুল শেখকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী টিম ওরফে সিট।
শনিবার রাতে ডোমজুড় থেকে ফেকারুলকে গ্রেফতার করে সিট। ধৃতকে মুর্শিদাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রবিবারই আদালতে পেশ করে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সামশেরগঞ্জের সুলিতলার বাসিন্দা ধৃত ফেকারুল শেখ। গত ১১ এপ্রিল জাফরাবাদে হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসকে খুন করে পালায় অভিযুক্তরা। বাবা ছেলেকে খুনের পর সেখান থেকে পালিয়ে আসে ফেকারুল।

এরপর হাওড়ার ডোমজুড়ে রাজমিস্ত্রির ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে ফেকারুল। বাকি ধৃতদের জেরা করে ফেকারুলের নাম জানতে পারে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। এরপর ডোমজুড়ে অভিযান চালিয়ে ফেকারুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, খুনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল ফেকারুল। অপরাধেও সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল সে।
এর আগে খুনের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাড়িতে ঢুকে হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসকে বের করে এনে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। তদন্তে নেমে প্রথমে দুই ভাই কালু নাদাব ও দিলাবর নাদাবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বীরভূম জেলার মুরারই থানা এলাকা থেকে কালুকে ও মুর্শিদাবাদের সুতি থানা এলাকার বাংলাদেশ ঘেঁষা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় দিলাবরকে। এই দুই ভাই খুনে সরাসরি জড়িত ছিল বলে অভিযোগ।
এরপর সুতি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ইনজামুল হক নামে এক অভিযুক্তকে। শুলিপাড়ার বাসিন্দা ইনজামুল পেশায় মিস্ত্রি বলে জানা গিয়েছিল। ধৃত ইনজামুল খুনের আগে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া ও প্রমাণ লোপাটে সিসিটিভি ভাঙার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। চতুর্থ গ্রেফতারি হয় উত্তর দিনাজপুর থেকে। খুনের মূল চক্রী জিয়াউল শেখকে গ্রেফতার করা হয় চোপড়া থেকে। সামশেরগঞ্জের বাসিন্দা জিয়াউল হরগোবিন্দদের বাড়িতে হামলা ও খুনের ঘটনায় নেতৃত্ব দিয়েছিল বলে অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications