কেরল থেকে পালিয়ে এসেছিলেন করোনার ভয়ে, এখন কোটিপতি বাংলার যুবক
কেরলে অনেক আগেই করোনা ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল। যার ফলে সেখান থেকে মুর্শিদাবাদে নিজের বাড়িতে পালিয়ে এসেছিল ইজারুল নামে যুবক। সেই সময় তার হাত ঠিল কার্যত শূন্য।
কেরলে অনেক আগেই করোনা ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল। যার ফলে সেখান থেকে মুর্শিদাবাদে নিজের বাড়িতে পালিয়ে এসেছিল ইজারুল নামে যুবক। সেই সময় তার হাত ঠিল কার্যত শূন্য। কিন্তু এখন এই পরিস্থিতিতে তাঁর বাড়ির সামনে লোক জমে সকাল হতেই। কেননা এই কঠিন সময়ে ভাগ্যে মিলেছে লটারি।

কেরলে কাঠের মিস্ত্রির কাজ
কেরলে কাঠের মিস্ত্রির কাজ করত ইজারুল। কিন্তু করোনা ভাইরাসের ভয়ে সে কেরল ছাড়তে বাধ্য হয়। কোনও এসি কোচে নয়, সাধারণ কামরায় গাদাগাদি করে সে প্রথমে হাওড়া ও পরে শিয়ালদহ থেকে লালগোলা প্যাসেঞ্জারে বেলডাঙার মির্জাপুরের বাড়িতে ফেরে।

এখন গ্রামের হিরো
ইজারুল এখন গ্রামের হিরো। লটারি পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই অসমাপ্ত তাঁদের দুইঘরের বাড়ি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন বহু মানুষ।

সাতজনের সংসারে একমাত্র রোজগেরে ইজারুল
বাড়িতে স্ত্রী, তিন সন্তান ছাড়াও রয়েছেন বাবা-মা। আর স্ত্রী বাড়িতে আসা অতিথিদের চা বিস্কুট দিয়ে চলেছেন। তবে পরিবার এখন খুশি যে, ইজারুলকে আর বাড়ির বাইরে যেতে হবে না। এলাকায় কাঠের কাজের মজুরি দিনে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা. কিন্তু তা ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। সেই লোভেই ইজারুলের মতো বহু মানুষ যায় বাইরের রাজ্যে।

ভয়ের মধ্যেই বেধে যায় লটারি
ইজারুল সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, দিন সাতেকের কিছু বেশি আগে তিনি কেরল থেকে ফিরেছেন। সেই সময় তাঁর চিন্তা ছিল কীভাবে সংসার টানবেন। সেই সময়ই তিনি লটারি কিনে ফেলেন. আর তা বেঁধেও যায়।
বেলডাঙা এক পঞ্চায়েত সভাপতি স্বীকার করে নিয়েছেন, গ্রাম থেকে অনেকেই কাজের জন্য দিল্লি, মুম্বই কিংবা কেরলে যায়। এবারও পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাঁরা ফিরে যাবে সেই কাজে। কিন্তু সেই কাজে ফিরবে না ইজারুল।












Click it and Unblock the Notifications