বছর শেষেই বাংলায় পুরনির্বাচন? 'অন্যান্য ভোটের ব্যবস্থাও তো করতে হবে'! মমতার মন্তব্যে জোর জল্পনা
দীর্ঘদিন ধরে হয়নি পুরনির্বাচন। ফলে সমস্ত পুরসভাতেই প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। যদিও পুরসভা ভোট না করানো নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিজেপির তরফে এই বিষয়ে বারবার প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এমনকি তৃণমূল হেরে যাওয়ার ভয়ে পুরস
দীর্ঘদিন ধরে হয়নি পুরনির্বাচন। ফলে সমস্ত পুরসভাতেই প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। যদিও পুরসভা ভোট না করানো নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিজেপির তরফে এই বিষয়ে বারবার প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এমনকি তৃণমূল হেরে যাওয়ার ভয়ে পুরসভাগুলিতে ভোট করাচ্ছে না বলেও অভিযোগ বিরোধীদের।
পেয়ায় ২০২০ সাল থেকে পুর নির্বাচন করা হয়নি। যদিও তৃণমূলের দাবি করোনার কারনে তা করে ওঠা সম্ভব হয়নি। যদিও অবশেষে পুর নির্বাচন করা নিয়ে উদ্যোগী রাজ্য সরকার।

আজ শনিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি ইঙ্গিত দেন, চলতি বছরের শেষেই হতে পারে সেই পুরভোট। তাঁর মতে, "অক্টোবরের শেষে উপনির্বাচন মিটলে অন্যান্য ভোটের ব্যবস্থাও তো করতে হবে।" তাঁর এহেন মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
যদিও আগে উপনির্বাচন না করানো নিয়ে আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, আগে রাজ্যের উপ নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন দিন ঘোষণা করবে এরপর পুর নির্বাচন নিয়ে ভাববে রাজ্য সরকার।
যদিও ইতিমধ্যে ভবানীপুর সহ রাজ্যের দুই কেন্দ্রে ভোট হয়েছে। আগামীকাল রবিবার ভবানীপুর, সামসেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে ভোটের ফলাফল প্রকাশ হবে। অন্যদিকে পুজো মিটলেই ফের একবার ভোট দেখবে বাংলার মানুষ। আগামী ৩০ অক্টোবর শান্তিপুর, খড়দহ, গোসাবা ও দিনহাটার উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়েছে। ভোট ঘোষণা হতেই ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ডান-বাম সবাই কোমর বেধে নেমে পড়েছে।
তবে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান এদিন বলেন, "পুজোর সময় কাউকে বিরক্ত করবেন না। পুজোও হবে আবার ভোটও হবে। কিন্তু পুজোর আনন্দের সময়। তখন ভোটের প্রচার করবেন না। এ নিয়ে আমি কমিশনের কাছে আবেদন করব। যাতে ১০-২০ অক্টোবর কোনও প্রচার না হয়।"
এর পরই তিনি বলেন, "এই ভোট মিটলে অন্যান্য ভোটেরও ব্যবস্থা করতে হবে।" আর এখানেই রাজনৈতিকমহলের প্রশ্ন, তাহলে কি বছর শেষেই পুর নির্বাচন দেখবে বাংলা?
তবে পুরনির্বাচন না হওয়া নিয়ে কম বিতর্ক। আদালত পর্যন্ত গড়ায় সেই বিতর্ক। শুধু তাই নয়, প্রশাসক নিয়োগ নিয়েও তৈরি হওয়া বিতর্ক। কারণ সরকার যে যেখানে ছিলেন সেই পদেই প্রশাসক হিসাবে তাকে নিয়োগ করে। নিজের লোক সরকার বসাচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলে বিরোধীরা। আর সেই বিতর্কও কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত যায়। যেখানে আদালতকে তোপের মুখে পর্যন্ত পড়তে হয়। আর এইঅবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইঙ্গিত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications