Municipal Election: মমতার প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে 'ব্যর্থ'! এগিয়ে অভিষেক-পিকের তালিকার নেতারা
তৃণমূলের (Trinamool Congress) বিরুদ্ধে ভয় দেখিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একাধিক পুরসভায় জেতার অভিযোগ উঠেছে ইতিমধ্যেই। আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কথাকে থোরাই কেয়ার করে প্রথম তালিকাতেই মনোনয়ন জমা দেওয়া
তৃণমূলের (Trinamool Congress) বিরুদ্ধে ভয় দেখিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একাধিক পুরসভায় জেতার অভিযোগ উঠেছে ইতিমধ্যেই। আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কথাকে থোরাই কেয়ার করে প্রথম তালিকাতেই মনোনয়ন জমা দেওয়ারও প্রমাণ মিলেছে ডায়মন্ড হারবারসহ একাধিক পুরসভা থেকে।

ডায়মন্ডহারবারে ভিন্ন ছবি
বুধবার ডায়মন্ডহারবারেও ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। সেখানে দেখা গিয়েছে সেখানে ১৬ জনের মধ্যে তৃণমূলের তরফে এমন ৭ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, যা কিনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদিত তালিকায় অর্থাৎ পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সিদের তালিকায় ছিল না। এই ডায়মন্ডহারবার হল তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের অধীন অন্যতম এক পুরসভা। তবে ওই সাতটি আসনে দলের দ্বিতীয় তালিকায় থাকা যে সাতজন মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি, তাঁরা এব্যাপারে কোনও সামান্য অসন্তোষ থাকলেও বড় কোনও ক্ষোভ নেই।
দ্বিতীয় তথা তৃণমূলের সরকারি তালিকায় ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নাম থাকা বিদায়ী কাউন্সিলর পূর্ণেন্দু সরকার সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন তাঁকে মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি প্রার্থী দীপক নাইয়া বলেছেন, তিনি মনোনয়ন জমা দেননি। কেননা নিজেদের মধ্যে ঝামেলায় জড়াতে চাননি তিনি। অন্যদিকে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নীলিমা হালদার জানিয়েছেন, স্থানীয় নেতৃত্বই তাঁকে জানায়, দ্বিতীয় তালিকা থেকে নেওয়া হবে না। আবার ১০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী বলে পরিচিত সৌমেন তরফদার মনোনয়ন জমা দেননি।

পারস্পরিক আলোচনায় তৈরি হয়েছে প্রার্থী তালিকা
তবে এব্যাপারে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে বলা হয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় তালিকা যাই থাকুক না কেন, পারস্পরিক আলোচনাতেই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঠিক করা হয়েছে। তৃণমূলের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্যতম কো-অর্ডিনেটর শুভাশিস চক্রবর্তী সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, প্রার্থী-স্থানীয় বিধায়ক এবং স্থানীয় নেতৃত্ব এই তালিকা তৈরি করেছেন।

প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিন থেকেই অশান্তি
৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ১০৭ টি পুরসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস। এই তালিকা প্রকাশের পর থেকেই অশান্তি শুরু হয়। তৃণমূলের সোশ্যাল সাইটে অন্য এক তালিকা পাওয়ার যায়, প্রায় প্রত্যেক পুরসভার ক্ষেত্রে। যা নিয়ে অশান্তি চরমে ওঠে। পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সির সই করা তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, সেইটাই আসল তালিকা। তৃণমূলের তরফে এই ঘটনার দায় চাপানো হয় প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের ওপরে। যদিও আইপ্যাকের তরফে পরের দিনই জানিয়ে দেওয়া হয়, তারা এই ঘটনায় জড়িত নয়।

তালিকায় নাম নিয়ে সন্দেহ খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ২২০০ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানকার অন্তত ১৫০ টি নাম নিয়ে সন্দিহান ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতার বয়ান বলে এমনই খবর প্রকাশিত হয়েছে বাংলা সংবাদ মাধ্যমে। যা নিয়েই বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্ষেত্রে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সির তালিকাকেই মান্যতা দেন। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতপার্থক্যের জেরেই এই ঘটনা, এমন খবরও প্রকাশিত হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications