পুলিশ, তুমি চরিত্র বদলাও! কেষ্টর গড়ে গিয়ে নাম ধরে ধরে হুঁশিয়ারি মুকুলের
বীরভূমের সাঁইথিয়ার এক অরাজনৈতিক সভা থেকে মুকুল রায় পুলিশ অফিসারদের নাম ধরে ধরে সতর্ক করলেন। তাঁদের ‘ডিউটি’ বোঝালেন আর মনে করিয়ে দিলেন, তৃণমূল চিরদিন থাকবে না।
তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড যখন ছিলেন, তাঁর নখদর্পণে ছিল পুলিশ-প্রশাসনের বাস্তবিক চিত্রটা। সেই সূত্রে প্রত্যেক অফিসারের কুষ্ঠি-ঠিকুজি তাঁর জানা। রবিবার বীরভূমের সাঁইথিয়ার এক অরাজনৈতিক সভা থেকে তিনি সেইসব পুলিশ অফিসারদেরই নাম ধরে ধরে সতর্ক করলেন। তাঁদের 'ডিউটি' বোঝালেন আর মনে করিয়ে দিলেন, 'তৃণমূল থাকবে না, আপনাদের কিন্তু চাকরি করতে হবে। আইন মোতাবেক কাজ করুন।'

উল্লেখ্য, অনুব্রতর জেলায় গিয়ে প্রথম দিনেই প্রশাসনিক বাধার মুখে তাঁকে পড়তে হয়। তার কারণ শনিবার তাঁতিপাড়ায় তাঁর সভার কোনও অনুমতি মেলেনি প্রশাসনের তরফে। তাই রবিবার সাঁইথিয়ার জনসভা থেকে ওসি, পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে সতর্ক করলেন। এদিন কাউন্সিলর শান্তনু রায়ের উদ্যোগে এক বনভোজনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুকুল রায়। সেখানে অরাজনৈতিক সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই বক্তব্য রাখেন মুকুল রায়।
তিনি বলেন, 'সাঁইথিয়া থানার ওসি সঞ্জয় শ্রীবাস্তব কান দিয়ে শুনবেন। আপনাকে এখনও ১৮-২০ বছর চাকরি করতে হবে। অতদিন কিন্তু তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকবে না।' পুলিশ সুপার সুধীর কুমারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'আপনার এখনও চাকরি রয়েছে ২৫ বছর। একটা রাজনৈতিক দল সভা করতে চাইছে, আপনার প্রশাসন তা করতে দিচ্ছে না এটা কিন্তু পুলিশ সুপারের কাজ নয়। আপনিও ঠিক কাজ করছেন না, আপনার ওসি-রাও করছেন না।'
মুকুলবাবু এদিন জেলাশাসক মোহন গান্ধীকেও একহাত নেন। বলেন, 'আপনি তো বাচ্চা ছেলে, এখনও ৩০ বছর চাকরি করবেন। তাই আপনার দায়বদ্ধতা ভুলে যাবেন না।' মুকুল রায়ের অভিযোগ, 'এখন রাজ্যের প্রশাসনের প্রধান কাজই হল- মুকুল রায় কোথায় যাচ্ছে তার গোয়েন্দাগিরি করা। আমি কী করছি, কী খাচ্ছি, তার ছবি তোলাই এখন পুলিশের কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা পুলিশের কাজ! নাকি এটা কোনও সরকারের কাজ!'












Click it and Unblock the Notifications