মুকুলের ভোট-বার্তা মমতাকে, বৈঠক অধীর-ঋতব্রতর সঙ্গে
রাজ্যের আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের সব আসনে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর আছে। তাঁর সঙ্গে লোকও আছে। দিল্লিতে গিয়ে ঘুরিয়ে তৃণমূলনেত্রীকে এমনই বার্তা দিলেন মুকুল রায়।
রাজ্যের আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের সব আসনে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর আছে। তাঁর সঙ্গে লোকও আছে। দিল্লিতে গিয়ে ঘুরিয়ে তৃণমূলনেত্রীকে এমনই বার্তা দিলেন মুকুল রায়। আর যদি তা সত্যি হয়, তাহলে বিপাকেই পড়তে পারে তৃণমূল কংগ্রেস।

শনিবার মুকুল রায় আবারও বলেছেন, বিজেপিকে তিনি সাম্প্রদায়িক দল বলে মনে করেন না। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় রেলমন্ত্রক ছিল তৃণমূলের হাতে।
১৯৯৮-এ দল গঠনের পর থেকে প্রায় ২০ বছর ধরে সংগঠন সামলেছেন একা হাতে। তাই সেই সংগঠনই ভরসা মুকুল রায়ের। ভবিষ্যতে মুকুল রায় বিজেপিতে যাবেন নাকি জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন, তা এখনও পরিষ্কার না হলেও, তাঁর সঙ্গে যে তৃণমূলস্তরের কর্মীরা রয়েছেন, তাই বোঝাতে চাইলেন মুকুল রায়।

আগামী সপ্তাহেই রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করবেন মুকুল রায়। সেইজন্য উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুর সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন। সেই সময় তিনি এখনও পাননি। তবে দিল্লিতে গিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন মুকুল রায়। শনিবার তিনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকও করেন।

একসময়ে মুকুল রায়কে সঙ্গে করে নিয়েই অধীর গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধীর কাছে। কিন্তু রাহুল আগ্রহ না দেখানোয় সেই সূত্র আর এগোয়নি বেশি দূরে। মুকুল রায় এদিন কথা বলেছেন বহিষ্কৃত সিপিএম সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও।

রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই হয়তো মুকুল রায় ঘোষণা করতে পারেন তাঁর গন্তব্য। শোনা যাচ্ছে দিল্লিতে নিজের বাসভবনও পরিবর্তন করতে চলেছেন মুকুল রায়। আপাতত বাংলোতে নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি কিংবা তৃণমূলের পতাকা।












Click it and Unblock the Notifications