মুকুলের সঙ্গে টাচে রাজ্যের ১৬০ বিধায়ক! ২০২১ বিধানসভা ভোটের আগে চাপে তৃণমূল
লোকসভায় বাংলায় বিজেপির উত্থানের পর থেকেই দফায় দফায় তৃণমূল ভাঙার খেলা শুরু করেছিল বিজেপি। শেষমেষ তৃণমূল পাল্টা দিয়ে দলত্যাগীদের ফিরিয়ে এনে ঘড় রক্ষা করার কাজ শুরু করে দিয়েছে।
লোকসভায় বাংলায় বিজেপির উত্থানের পর থেকেই দফায় দফায় তৃণমূল ভাঙার খেলা শুরু করেছিল বিজেপি। শেষমেষ তৃণমূল পাল্টা দিয়ে দলত্যাগীদের ফিরিয়ে এনে ঘড় রক্ষা করার কাজ শুরু করে দিয়েছে। তাতেই মুখ পুড়েছে মুকুল রায়ের। এমতাবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেস-সহ অন্যান্য দলের ১৬০ বিধায়ক বিজেপির টাচে রয়েছে বলে কার্যত বোমা ফাটালেন মুকুল রায়।

তৃণমূলের ১৬০ জন বিধায়ক
ইতিমধ্যে দলত্যাগীরা তৃণমূলে ফিরে যাওয়ায় হালিশহর ও কাঁচরাপাড়া পুরসভা হাতে এসেও ছিটকে গিয়েছে বিজেপির। এই অবস্থায় শাসক দলের উপর চাপ বজায় রাখতে পাল্টা দাবি করে বসলেন মুকুল রায়। বিজেপির নেতার কথায়, তৃণমূলের ১৬০ জন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন।

মোদী-অর্জুন সিংয়েরও এক দাবি
উল্লেখ্য, শুধু মুকুল রায়ই নন, এই ধরনের দাবি এর আগে বহু নেতা-নেত্রীই করেছেন। এমনকী খোদ প্রধানমমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও দাবি করেন, তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন। তারপরই সদ্য তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেন ১০০ জন বিধায়ক পা বাড়িয়ে রয়েছেন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য।

নিত্যদিন এই সংখ্যার ব্যাপ্তি বৃদ্ধি
তারপর মুকুল রায় তো আছেনই। তিনি নিত্যদিন এই সংখ্যার ব্যাপ্তি করে চলেছেন। দিলীপ ঘোষও বলেন, তৃণমূলের বিধায়করা যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে। মুকুল রায় বলেন, তৃণমূল নেতাদের অনেকেই তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রেখে চলেন। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখ হয়ে, কারা আসবেন বিজেপিতে, তা ভবিষ্যতেই দেখতে পাবেন।

সবাই কি তৃণমূলের? জবাব মুকুলের
মুকুল বলেন, আমি একথা বলতে পারি যে, রাজ্যের অন্তত ১৬০ জন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে টাচে থাকেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তাঁরা সবাই কি তৃণমূলের? মুকুলের জবাব, সিপিএম, কংগ্রেসের বিধায়করাও আছেন। তবে সিংহভাগেই তৃণমূলের। তবে তালিকায় কারা রয়েছে, সেই আভাস দেননি মুকুল রায়।












Click it and Unblock the Notifications