মমতার তৃণমূলের জন্য আজও প্রাণ কাঁদে মুকুলের! তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা একুশের আগে
মমতার তৃণমূলের জন্য এখনও প্রাণ কাঁদে মুকুলের! তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা একুশের আগে
'তৃণমূল বলে কোনও দল থাকবে না। তৃণমূলটা উঠে যাচ্ছে, ভাবলেও আমার কষ্ট হয়।' বক্তা কোনও তৃণমূল নেতা নন, ডাকসাইটে বিজেপি নেতা মুকুল রায় প্রকাশ্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে বললেন এ কথা। আজও তার প্রাণ কাঁদে তৃণমূলের জন্য। তিন বছর হল তিনি নেই তৃণমূলের সঙ্গে। তবু একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর মুখেই শোনা গেল আক্ষেপ।

তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলেন তৃণমূল, আর আজ...
নিজের হাতে করে দলটা তৈরি করেছিলেন। তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলেন সংগঠন। মুকুল বিজেপির মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তৃণমূলে ছিলেন না। তৃণমূল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নিজের হাতে। তারপর সেই দলে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। মুকুল হয়ে ওঠেন তাঁর একান্ত সহযোগী।

তৃণমূল বলে আর কোনও দল থাকবে না! আক্ষেপ
মুকুলের আক্ষেপ, সেই তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে যেতে বসেছে। শুধু ভেঙে যাওয়া নয়, উঠে যেতে বসেছে তৃণমূল। তৃণমূল বলে আর কোনও দল থাকবে না! এটা ভেবেই খুব খারাপ লাগছে। একুশে এমন দিন আসছে, তৃণমূল দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারবে না। মানুষের মধ্যে জাগরণ এসেছে। আবার পরিবর্তন আসন্ন বাংলায়।

২০১৯-এর ভোটই তৃণমূলের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে
২০০৯-এ ঠিক এমনটাই দেখা গিয়েছিল। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে তাঁর সমস্ত প্রশাসনকে কাজে লাগিয়েই রুখতে পারেনি জনজাগরণ। ২০১১-য় তৃণমূল এসেছিল ক্ষমতায়। যার আভাস দিয়ে গিয়েছিল ২০০৯-এর লোকসভা ভোট। এবারও তাই ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে বিজেপির উত্থান তৃণমূলের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়ে গিয়েছে।

মমতার সরকারের বিদায় স্থির করে ফেলেছে বাংলার মানুষ
মুকুল রায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, ২০২১-এ তৃণমূলকে দু-অঙ্কে নামিয়ে ছাড়ব। তিন অঙ্কে পৌঁছতে পারবে না তৃণমূল। যেদিন তৃণমূল ছেড়েছি, সেদিনই এই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে, নরেন্দ্র মোদীর হাতে বাংলাকে তুলে দিতে হবে সুশাসনের জন্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে বিদায় দিতে হবে বাংলার বুকে অপশাসন কায়েম করার জন্য। তা স্থির করে ফেলেছে বাংলার মানুষ।

তৃণমূল এক লপ্তে নেমেছে ২২-এ। ভাবুন একুশে কী হাল হবে!
একদা দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড মুকুল রায়ই এখন চ্যালেঞ্জার হয়ে উঠেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একুশের আগে সেই চ্যালেঞ্জার বলছেন, মাত্র একটা নির্বাচনে আমাকে ছাড়া লড়তে হয়েছে তৃণমূলকে। সেখানেই হাফ হয়ে গিয়েছে। ৪২-এ ৪২-এর ডাক দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাতের ৩৪টাও ধরে রাখতে পারেননি, মমতার তৃণমূল এক লপ্তে নেমে এসেছে ২২-এ। তাহলেই ভাবুন ২০২১-এ কী হাল হবে ওই দলের!












Click it and Unblock the Notifications