দলবদল হবে দিলীপের নেতৃত্বেই, তৃণমূল ভাঙতে ধীরে চলো নীতি নিয়ে এগোচ্ছেন মুকুল
দফায় দফায় বিধায়ক-কাউন্সিলররা দল ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। আর তার মাস খানেকের মধ্যেই মোহভঙ্গ হল দলত্যাগী কাউন্সিলরদের।
লোকসভা ভোটের পরই তৃণমূল ভাঙার খেলায় মেতেছিলেন মুকুল রায়। দফায় দফায় বিধায়ক-কাউন্সিলররা দল ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। আর তার মাস খানেকের মধ্যেই মোহভঙ্গ হল দলত্যাগী কাউন্সিলরদের। তারা আবার ফিরে এলেন তৃণমূলে। তারপরই বিজেপির তরফে কড়া দাওয়াই- আর কোনও যোগদান নয় দিল্লিতে। দলের সেই নির্দেশকে স্বাগত জানালেন মুকুল রায়।

মুকুল রায় বলেন, দলের নির্দেশ তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন। মঙ্গলবার দমদম বিমানবন্দরে এক প্রশ্নের উত্তরে মুকুল রায় জানান, দল যখন চাইছে রাজ্য নেতৃত্বের অনুমোদন নিয়ে দলবদল করানো হবে, এবার থেকে তাই হবে। দলবদল হবে রাজ্য দফতরেই।
সম্প্রতি নির্দেশিকা জারি করা হয়, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিতে যোগদান করতে হলে রাজ্যের নেতৃত্ব অনুমোদন হবে। দিল্লিতে গিয়ে যোগদান করা চলবে না। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজ্য স্তরের কোন নেতা, বিধায়ক বা সাংসদ দলবদল করতে চাইলে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের অনুমোদন প্রয়োজন। জেলা পর্যায়ে দলবদল করলে জেলা নেতৃত্বের অনুমতি নিতে হবে।
লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই তৃণমূল ভেঙে সংগঠন বাড়াচ্ছিল বিজেপি। দিল্লিতে গিয়ে জোট বেঁধে দলবদল চলছিল ভোটের পরও। রাজ্যে বিজেপির উত্থানের পর কাউন্সিলররাও দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করে। সৌজন্যে অবশ্যই মুকুল রায়। এরপর গোল বাঁধে লাভপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের যোগদানে।












Click it and Unblock the Notifications