বিজেপির সদর দফতর হল তৃণমূল ভবন! মুকুলের হারাকিরি, অচিরেই শুরু ফিসফাস
এতদিনের স্বভাব, তা কি সহজে বদলানো যায়। টানা ২০ বছর তৃণমূল ভবন ছিল তাঁর ঘরঘাট। সেই তিনি কি আর মন থেকে মুছতে পারেন পুরনো ‘প্রেম’কে।
এতদিনের স্বভাব, তা কি সহজে বদলানো যায়। টানা ২০ বছর তৃণমূল ভবন ছিল তাঁর ঘরঘাট। সেই তিনি কি আর মন থেকে মুছতে পারেন পুরনো 'প্রেম'কে। তাই তো মনের অজান্তেই মুকুল রায় বিজেপি সদর দফতরকে তৃণমূল ভবন বানিয়ে দিলেন অবলীলায়। বিজেপির সদর দফতর বলতে গিয়ে বলে ফেললেন তৃণমূল ভবন।

ফিসফাস শুরু হয়ে গেল
মুহূর্তের মধ্যেই ফিসফাস শুরু হয়ে গেল সাংবাদিক সম্মেলনে। বুঝতে পেরে মুকুল রায় ভুল শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করলেন। দুবার ঢোঁক গিলে তিনি বলেন বিজেপি ভবন। তাঁর এই ভুল নিয়ে রীতিমতো আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। চর্চা চলছে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের হারাকিরি নিয়ে।

ভুল নয় চর্চার বিষয় একাত্মতা
তবে এক্ষেত্রে মুকুল রায়ের ভুল নয় চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে তৃণমূলের সঙ্গে মুকুল রায়ের আত্মিক সম্পর্ক। তিনি যে তৃণমূলের সঙ্গে কতটা একাত্ম ছিলেন, তা নিয়েই আলোচনা চলেছে বিস্তর। এখনও যে মুকুল রায়ের গা থেকে তৃণমূলের গন্ধ যায়নি, তা-ই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এদিন মুকুল রায়ের ছোট্ট একটা ভুলে।

একের পর এক তোপ
মঙ্গলবার দিল্লিতে মুকুল রায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন নিজের বাসভবনে। মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগে চলেন তিনি। তিনি অর্জুন সিংয়ের উপর হামলার প্রতিবাদে মমতাকে এক হাত নেন। মমতার পুলিশকেও তোপ দাগেন। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তিনি বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলবেন বলে জানাতে গিয়েই বিপত্তি বাঁধান।

তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন মুকুলের!
তখনই বিজেপির সদর দফতর না বলে তিনি মুখ ফসকে বলে বসেন, তৃণমূল ভবনে গিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে যা বলার বলবেন। সঙ্গে সঙ্গেই ভুল শুধরে তিনি বলেন, বিজেপি ভবনে প্রেস কনফারেন্স করা হবে। তারপর তিনি বলেন, ‘বিজেপি ভবনে প্রেস কনফারেন্স করা হবে।












Click it and Unblock the Notifications