বিজেপির দরজায় ফের টোকা মারলেন মুকুল! দিল্লিতে বৈঠক বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে
রবিবারই কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অরুণ জেটলির বাসভবনে দেখা করতে গিয়েছিলেন মুকুল রায়। তাঁদের মধ্যে দশ মিনিট কথা হয়। মুকুল রায় সেই বৈঠককে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই ব্যাখ্যা করেছিলেন। একদিন পরই কৈলাশের সঙ্গে বৈঠক।
বিজেপিতে যাওয়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ মুকুল রায়ের! সোমবার দিল্লিতে বিজেপির দফতরে রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠকের পরই অপেক্ষার দিন গোনা শুরু করেছে রাজনৈতিক মহল। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আরও এক ধাপ এগোলেন এই বৈঠকের মাধ্যমে।

রবিবারই কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অরুণ জেটলির বাসভবনে দেখা করতে গিয়েছিলেন মুকুল রায়। তাঁদের মধ্যে দশ মিনিট কথা হয়। মুকুল রায় সেই বৈঠককে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই ব্যাখ্যা করেছিলেন। কিন্তু তাঁর একদিন পরেই ফের দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক মুকুলের বিজেপিতে যোগদান জল্পনায় ঘৃতাহুতি দিল।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে মুকুল রায়ের বিজেপিতে যাওয়া এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। আপাতত নতুন দল নয়, মুকুল রায় বিজেপিতেই পা বাড়িয়ে, তা পরিষ্কার। এদিন আধঘণ্টা বৈঠক হয় মুকুল রায় ও কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র মধ্যে। সেই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে উভয়ের কেউই মুখ খুলতে চাননি।
তবে কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, যে বা যাঁরা উন্নয়ন চাইবেন, কিংবা গণতন্ত্রের পক্ষে থাকবেন তিনি বা তাঁরাই বিজেপির ছত্রছায়ায় আসবেন। এটাই স্বাভাবিক। মুকুল রায় ছাড়া আর কোন তৃণমূল নেতারা তাঁদের টার্গেট রয়েছেন? এ ব্যাপারে অবশ্য মুখ খুলতে চাননি বিজয়বর্গীয়। তিনি বলেন, সবুর করলেই দেখতে পাবেন কারা আসছেন।
এদিন মুকুল রায়ের রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়ার সম্ভাব্য তারিখও নির্ধারিত হয়ে যায়। ১১ অক্টোবর অর্থাৎ বুধবার রাজ্যসভার সাসংদ পদ ত্যাগ করবেন তিনি। সেইসঙ্গে তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদও তিনি ত্যাগ করবেন সেদিন। এবং ওইদিনই মুকুল রায় জানাবেন কেন তিনি তৃণমূল ছাড়লেন। আগামী দিনে তাঁর গতিবিধিও স্পষ্ট করতে পারেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications