বিজেপি ত্যাগের তালিকায় যুক্ত হল এক জেলা পরিষদ সদস্যের নাম, মুকুল অনুগামী জানালেন 'তিক্ত অভিজ্ঞতা'র কথা
শুক্রবার মুকুল রায় (mukul roy) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরে অর্থাৎ তৃণমূলে (trinamool congress) ফিরেছেন। দলের ফেরা নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের (anubrata mondal) মতো নেতা গরুকে ঘরে ফেরানো বলে কটাক্ষ করলেও, অনেক অনুগামীই মুকুল রায়ের
শুক্রবার মুকুল রায় (mukul roy) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরে অর্থাৎ তৃণমূলে (trinamool congress) ফিরেছেন। দলের ফেরা নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের (anubrata mondal) মতো নেতা গরুকে ঘরে ফেরানো বলে কটাক্ষ করলেও, অনেক অনুগামীই মুকুল রায়ের পথ ধরেছেন কিংবা ধরতে চাইছেন। সেই তালিকায় যেমন বিধায়ক রয়েছেন, ঠিক তেমনই জেলাপরিষদ সদস্যও রয়েছেন। সবাই বলছেন, যোগ্য সম্মান পাননি।

অনুগামীদের সঙ্গে ফোনে কথা মুকুল রায়ের
বিজেপি ছাড়ার পরেই দলে থাকা সাংসদ ও বিধায়কদের মুকুল রায় ফোন করেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সবমিলিয়ে প্রায় ৩৫ জনের দলবদলকারীর তালিকা তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দিয়েছেন। তবে যে সংখ্যা থাকলে বিধায়করা তাঁদের বিধায়ক পদ টিকিয়ে রাখতে পারবেন, সেই সংখ্যা মুকুল রায় এখনও যোগার করতে পারেননি বলেই জানা গিয়েছে।

দল ছাড়লেন জেলা পরিষদ সদস্য
রবিবার বিজেপি ছাড়ার কথা জানিয়েছেন, উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পরিষদ সদস্য রতন ঘোষ। তিনি মুকুল রায় অনুগামী বলেই পরিচিত। এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি জানিয়েছেন, পদত্যাগপত্র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে মেল করার কথা। প্রসঙ্গত বিধানসভা ভোটের কয়েকমাস আগে তিনি তৃণমূল ছেড়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে বিজেপির তরফে তাঁকে বেশ কয়েকটি আসনের পর্যবেক্ষক করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েকমাসেই দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে তার মন ছুটে গিয়েছে।

গত ছয়মাসের তিক্ত অভিজ্ঞতা
এদিন বিজেপি ছাড়ার পরে রতন ঘোষ জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন তৃণমূল করার ফলে দলের করাও কারও সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল। সেই কারণেই বিজেপিতে যোগদান। কিন্তু গত ছয়মাসের বিজেপিতে যেতে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা দীর্ঘদিন তৃণমূলে থাকার থেকেও খারাপ। যেখানে তিনি সম্প্রীতির গান গেয়েছেন, সেখানে জাতপাতের রাজনীতি মানিয়ে নিতে পারছিলেন না।

ভোটের আগেই তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ
তবে রতন ঘোষ জানিয়েছেন, ভোটের আগেই তিনি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিলেন। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে মুকুল রায়েই সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছিল। মুকুল রায়ের সঙ্গে তাঁরও তৃণমূলে যোগ দেওয়া কথা ছিল বলে জানিয়েছেন ওই নেতা। কিন্তু কিছু নিয়মের কারণে তা হয়নি। তবে বিজেপি থেকে পদত্যাগের পরে সেই রাস্তা আরও পরিষ্কার হয়ে গেল।
যদিও এই দলত্যাগকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন, বনগাঁ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক দেবদাস মণ্ডল। এদিন তিনি বলেছেন, ভোটের আগে যাঁরা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে এসেছিলেন, তাঁরাই দল ছাড়ছেন। এই দলত্যাগে বিজেপির কোনও ক্ষতি হবে না বলেও দাবি করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications