সব জল্পনার অবসান, মমতার মায়া কাটিয়ে পদ্মেই ফুটল মুকুল
একদিন আগেই মুকুল রায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। তার একদিন পরই সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে মুকুল রায়কে দলে নেওয়ার ব্যপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়।
সমস্ত জল্পনার অবসান। বিজেপিতেই যোগ দিলেন দলত্যাগী তৃণমূল সাংসদ মুকুল রায়। মুকুল রায়কে উত্তরীয় পরিয়ে দেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাসগুপ্তও। একদিন আগেই মুকুল রায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। তার একদিন পরই সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে মুকুল রায়কে দলে নেওয়ার ব্যপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। সেইমতোই বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে যোগদান করেন মুকুল রায়।

Former Trinamool Congress, #TMC leader #MukulRoy joins BJP#mukulroy pic.twitter.com/L1NGctqcOE
— Doordarshan News (@DDNewsLive) November 3, 2017
শুক্রবার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র গাড়িতে করে দলের সদর দফতরে আসেন মুকুল রায়। এই অফিসেই তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলেন অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুকুল রায়। তাঁকে পদ্ম শিবিরে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেন, মুকুল রায়ের সাংগঠনিক দক্ষতা তাঁরা কাজে লাগাবেন। তাঁর হাত ধরেই রাজ্যে বিজেপির জোয়ার আসবে বলে মন্তব্য করেন রবিশঙ্কর প্রসাদ।
মুকুল রায় বিজেপিতে যোগদান করে বলেন, বিজেপির সাহায্য ছাড়া তৃণমূল প্রতিষ্ঠা পেত না। আমি মনে করি ভারতীয় জনতা পার্টির জন্যই তৃণমূলের এই উত্থান। বিজেপি সাম্প্রদায়িক দল নয়। তিনি নিঃশর্তে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন বাংলার মানুষ হাঁপিয়ে উঠেছে। তাঁরা পরিবর্তন চাইছেন। ২০২১-এ বাংলার মানুষকে সত্যিকারের পরিবর্তন দিতে হবে।
শুক্রবার সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বিজেপির সদর দফতরে পৌঁছনোর পর এক অনুষ্ঠানে তাঁকে যোগদান করানো হয়। মুকুল অনুগামীরা আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সদর দফতরে। এই যোগদান পর্বের পরই মুকুল রায়ের সঙ্গে আলোচনায় বসেন অমিত শাহ। সেই বৈঠকেই স্থির হয় কী দায়িত্ব দেওয়া হবে মুকুল রায়কে। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। আলোচনা হয় পঞ্চায়েত ভোটের দায়িত্ব নিয়েও।












Click it and Unblock the Notifications