কেন পার্থ ‘বাচ্চা ছেলে’, জানেন! ‘বুড়ো ভাম’ মুকুল নিজেই জানালেন অজানা সেই কাহিনি
পার্থর উদ্দেশে কেন মুকুল শুধু বলেন- ‘বাচ্চা ছেলে’র কথার কোনও উত্তর দেব না। তা জানতে অনেকেই উদগ্রীব ছিলেন। এবার সেই রহস্যের বেড়াজাল নিজেই খুলে দিলেন মুকুল রায়।
তখনও দল ছাড়েননি তৃণমূলের প্রাক্তন 'সেকেন্ড ইন কম্যান্ড' মুকুল রায়। তবে বেসুরো গাইতে শুরু করে দিয়েছেন অনেকদিন ধরেই। তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ কুণাল ঘোষের পুজো উদ্বোধন করতে গিয়ে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সমালোচনার জবাবে মুকুল রায় তাঁকে 'বাচ্চা ছেলে' বলে কটাক্ষ করেন। তারপর থেকেই পার্থ-র যাবতীয় নিশানা তিনি সুচতুরভাবে এড়িয়ে গিয়েছেন ওই 'বাচ্চা ছেলে' উত্তরের বাহানায়।

এতদিন পর বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি খোলসা করলেন- কেন তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে 'বাচ্চা ছেলে' বলেন। নয় নয় করে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বয়স তো ৬০ হবেই। তবু কেন মুকুল শুধু বলেন- 'বাচ্চা ছেলে'র কথার কোনও উত্তর দেব না। তা জানতে অনেকেই উদগ্রীব ছিলেন। এবার সেই রহস্যের বেড়াজাল নিজেই খুলে দিলেন মুকুল রায়।
সবং-এ বিজেপি প্রার্থী অন্তরা ভট্টাচার্যের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে মুকুল রায় তাঁর 'বাচ্চা ছেলে' বাণীর রহস্য উন্মোচন করলেন। সবংয়ের জনতার সামনে তিনি উত্থাপণ করলেন সেদিনের সেই অজানা কাহিনি। ব্যাখ্যা করলেন পার্থকে 'বাচ্চা ছেলে' বলার সঙ্গত কারণ। মুকুল বললেন, 'ও আমাকে 'বুড়ো ভাম' বলেছে, আমি তাতে কিছু মনে করিনি। কারণ আমি তো বয়সে ওর কাকার সমান! তবে আমি কেন ওকে 'বাচ্চা ছেলে' বলেছি, তার স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে।'
'গত বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র সাড়ে তিন হাজার ভোটে জিতেছিল পার্থ। তারপর আমার কাছে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলে। কাঁদতে কাঁদতে পার্থ আমাকে বলে- দাদা, আর একটু হলেই হেরে যেতাম।' এরপরই মুকুল বলেন, 'যে হারের ভয়ে বাচ্চা ছেলের মতো কাঁদে, তাঁকে 'বাচ্চা ছেলে' ছাড়া আর কি-বা বলা যেতে পারে। সেই কারণেই আমি ওঁকে 'বাচ্চা ছেলে' বলে ডাকি।'
মুকুল রায়ের এহেন ব্যাখ্যার পর জনসভায় হাসির শোরগোল পড়ে যায়। মুকুল রায় সেই হাসি থামিয়ে বলেন, 'এবার সত্যিকারের কাঁদিয়ে ছাড়তে হবে তৃণমূলকে। হারিয়ে দিতে হবে ভোটের লড়াইয়ে। গণতান্ত্রিক পথেই তৃণমূলকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে।' এই বলেই তিনি তৃণমূলকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় আক্রমণ করেন। তৃণমূল সরকারের দুর্নীতিতে সরব হন।












Click it and Unblock the Notifications