অবশেষে মুকুল বিসর্জন, তৃণমূল ছাড়ছেন প্রতিষ্ঠাতা মুকুল রায়
তৃণমূলের ত্যাগের সিদ্ধান্ত মুকুল রায়ের। আপাতত তৃণমূলের কর্মসমিতি থেকে পদত্যাগ। পুজোর পর প্রাথমিক সদস্যপদ এবং রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত
তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন মুকুল রায়। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে কার্যকরী সমিতি থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। পুজোর পর দলের প্রাথমিক সদস্যপদ এবং রাজ্যসভার সাংসদ পদেও ইস্তফা দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

কংগ্রেসি ঘরানার রাজনীতিক কাঁচড়াপাড়ার পরিচিত মুখ মুকুল রায়। এলাকার অপর পরিচিত কংগ্রেস নেতা মৃণাল সিংহ রায়ের অনুগামী ছিলেন মুকুল রায়। কিন্তু তাঁর সঙ্গে সমস্যা দেখা দেওয়ায় বর্ষীয়ান বিমান নাহা রায়ের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেই শুরু। বাম জমানা তখন মধ্যগগনে। এইসময় মুকুল রায়ের দক্ষতা দেখিয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়। সেটা গুছিয়ে চিঠি লেখা হোক কিংবা সংগঠন। অপরিহার্য হয়ে ওঠেন মুকুল রায়। ১৯৯৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর তৃণমূল দল গঠনে প্রথম স্বাক্ষরকারী ছিলেন মুকুল রায়। সোমবার হওয়া সাংবাদিক সম্মেলনে মুকুল রায় নিজেই জানিয়েছেন সে কথা।
After Durga Puja I will resign from the party & post of MP: Mukul Roy, TMC pic.twitter.com/VFpxthrR0x
— ANI (@ANI) September 25, 2017

দলের 'নজর'-এ থাকা মুকুল রায় রবিবার রাতে উত্তর কলকাতার রাজা রামমোহন রায় রোডে রামমোহন সম্মিলনীর পুজো উদ্বোধনে গিয়েছিলেন। পুজোটি সাসপেন্ডেড তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষের। সেখানে গিয়েও মুকুল রায় নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন কখনও নাম করে কখনও নাম না করে।

মুকুল রায় রামমোহন সম্মিলনীর পুজোর মঞ্চ থেকে নাম না করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, বাংলার সংস্কৃতি ও কৃষ্টি রক্ষার অবদান কারও একার নয়। এক প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বাচ্চা ছেলে বলেও কটাক্ষ করেন।
পুজো উদ্বোধনের পর সাংবাদিকরা মুকুল রায়ের গতিবিধির ওপর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নজর রাখা নিয়ে প্রশ্ন করেন। সেই সময় মুকুল রায় বলেন, ও সব বাচ্চা ছেলে কী সব বলছে তাতে কিছু যায় আসে না।

উভয় ক্ষেত্রেই মুকুল রায়ের বক্তব্য যে তৃণমূল ভাল চোখে নিচ্ছে না, তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications