মমতা এখন ডিগবাজি খেয়েছেন! প্রাক্তন নেত্রীকে তোপ দেগে বার্তা পাঠালেন মুকুল
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমাণ করে দিলেন বিজেপিই এখন প্রধান বিরোধী। সে বাংলা হোক বা ত্রিপুরা। বিজেপিই শাসক দলের প্রধান বিরোধী। তাই সিপিএমকে তিনি বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাচ্ছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমাণ করে দিলেন বিজেপিই এখন প্রধান বিরোধী। সে বাংলা হোক বা ত্রিপুরা। বিজেপিই শাসক দলের প্রধান বিরোধী। তাই সিপিএমকে তিনি বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাচ্ছেন। শুক্রবার মুকুল রায় বলেন, 'ক্ষমতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো ডিগবাজি খাওয়া আর কারও পক্ষে সম্ভব নয়। সিপিএম জিতলে এখন তিনি খুশি হন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেববাবুর জন্মদিনে পাঠানে বার্তায় এমনই এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।'

মুকুল রায় বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর শুভেচ্ছা বার্তাতেই প্রমাণ করে দিয়েছেন, বামফ্রন্টকে এখন একমাত্র বিজেপিই চ্যালেঞ্জ করতে পারে। তাঁরা লড়াই থেকে সরে গিয়েছে। তাই তিনি বলছেন ত্রিপুরায় সিপিএম জিতলে ভালো হয়। বুদ্ধদেববাবুকে ভোটের শুভেচ্ছা পাঠালেন আসলে।' তিনি বলেন, 'সাদা জামায় রক্তেপ দাগ লাগিয়ে কাউকে শুভেচ্ছা পাঠানো উচিত নয়।'
মুকুল রায় বলেন, 'একদিন রক্তাক্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ছবি দেখিয়ে ভোটে জিতেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিনে বুদ্ধদেববাবুর বাড়ি ঘেরাও করতে গিয়েছিলেন তিনি। নন্দীগ্রামের ঘটনার প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিলেন। এখন সেই বুদ্ধদেববাবুকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাচ্ছেন। ক্ষমতায় এসেই তিনি ডিগবাজি খেয়েছেন। তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষেই সম্ভব।'

এদিন উত্তর ২৪ পরগনায় প্রশাসনিক বৈঠকে এসে বেনামে জমি দখল হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অভিযোগের নিশানায় মুকুল রায় ছিলেন-এমনই ইঙ্গিত মিলেছিল। এদিন তার জবাবও দিলেন মুকুল রায়। তিনি বলেন, 'আমি জানি না উনি কার সম্পর্কে বলছেন। তবে আমার বিরুদ্ধে সিআইডি, ইন্টারপোল, সিবিআই, ইডি- যা যা তদন্তকারী সংস্থা রয়েছেন, তাদের দিয়ে তদন্ত করাতে পারেন।' তিনি কালীঘাট অঞ্চলের জমিও নিয়ে পাল্টা অভিযোগ ছোঁড়েন।












Click it and Unblock the Notifications