ভয়ে সিপিএমের হাল মমতার! মুকুলের অঙ্কে ভোট হলেই ফলাফল উল্টে যাবে
ঠিক যে পথে শেষের দিকে সিপিএম নেতৃত্ব চলত। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলিহেলনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা সেরকমই আচরণ করছে। অভিযোগ মুকুল রায়ের।
'সিপিএমের মতোই ভয় পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। আর তার প্রতিফলন পড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়। বিজেপি তথা বিরোধীদের উপর হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। ঠিক যে পথে শেষের দিকে সিপিএম নেতৃত্ব চলত। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলিহেলনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা সেরকমই আচরণ করছে।'

শনিবার নির্বাচন কমিশনে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানাতে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উপর এই ভাষাতেই সরব হন মুকুল রায়। তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোয় প্রত্যেকেরই সাংবিধানিক দায়-দায়িত্ব পালন করতে হয়। কিন্তু রাজ্যের তৃণমূল সরকার সেই দায়িত্ব পালন করছে না। তা করলে বিরোধী দলের অফিসে এভাবে হামলা হত না।'
এদিন নির্বাচন কমিশনে এসে মুকুল রায় উলুবেড়িয়া ও নোয়াপাড়ায় সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানান। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্বাচন করার দাবিও উত্থাপন করেন তিনি। নির্বাচন কমিশন থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, 'সিপিএম যেমন ভয় পেয়ে বিপক্ষ ভোটারদের ভোট দিতে দিত না। সেই একই কাজ করছে তৃণমূল কংগ্রেস। মানুষ যদি সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারে, তাহলে রাজ্যে নির্বাচনী ফলাফল হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন।'
তিনি অভিযোগ করেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমের মতোই ভয় পাচ্ছেন। হারার ভয় গ্রাস করেছে তৃণমূলের অন্দরে। আর সেই ভয় থেকেই আক্রমণ করছে বিরোধীদের।' এদিন মুকুল রায় আরও বলেন, 'অন্য রাজ্যো ভোটের ক্ষেত্রে এ ধরনের অভিযোগ ওঠে না। সেখানে 'ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন' হয়। যত সমস্যা পশ্চিমবঙ্গে। এখানে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করে শাসক দল। সিপিএমের আমলেও যা হয়ে এসেছে, এখন তৃণমূলের আমলেও একই জিনিস হচ্ছে।' এদিন ১০০ মিটার লাইনে প্রত্যেকের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করার আর্জি জানান তিনি।
মুকুল রায় বলেন, '২০১১-র আগেও নির্বাচন কমিশনে আমি বলতে এসেছি, এ রাজ্যে গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত নয়। আমার দুর্ভাগ্য যে, সাত বছরের মধ্যে ফের আমাকে একই কথা বলতে আসতে হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। রাজ্যে গণতান্ত্রিক কোনও অধিকার নেই। বাংলার মানুষই তাই, এই সরকারকে চাইছে না। শাসকদলের অনেক নেতাও তা বুঝতে পেরেছেন। তৃণমূলের অত্যাচারে মানুষ তিতিবিরক্ত। ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসানের পর এমন দিন ফিরে আসুক, চাননি কেউ-ই।'












Click it and Unblock the Notifications