বীরভূমে ‘কেষ্ট’র গড়ে বড়সড় ভাঙন তৃণমূলে, মুকুলের হাত ধরে ঢল বিজেপিতে
এবার আর শুধু কর্মীরা নন, এই তৃণমূল-ত্যাগীদের দলে রয়েছেন উপপ্রধান থেকে শুরু করে তৃণমূলের ব্লক যুব সভাপতিও। মুখে স্বীকার না করলেও পঞ্চায়েত ভোটের আগে নিচুতলার এই ভাঙনে চিন্তায় তৃণমূল।
ফের বড়সড় ভাঙন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে। বীরভূম তৃণমূল থেকে ভাঙিয়ে এনে বিজেপিতে প্রায় এক হাজার জন নেতা-কর্মীকে যোগদান করালেন সদ্য তৃণমূলত্যাগী মুকুল রায়। এবার আর শুধু কর্মীরা নন, এই তৃণমূল-ত্যাগীদের দলে রয়েছেন উপপ্রধান থেকে শুরু করে তৃণমূলের ব্লক যুব সভাপতিও। মুখে স্বীকার না করলেও পঞ্চায়েত ভোটের আগে নিচুতলার এই ভাঙনে চিন্তায় তৃণমূল।

রবিবার বিজেপির রাজ্য দফতরে মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে গেরুয়া পতাকা তুলে নেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। বিজেপি সূত্রে জানানো হয়েছে, বীরভূমের কড়েয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রণব মণ্ডল ও নলহাটি পুর এলাকায় তৃণমূল যুব সভাপতি আবাউল্লা শেখ যোগ দেন বিজেপিতে।
এছাড়া বীরভূমের আলিগড়, কালিপুর, কীর্নাহার, নলহাটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকেও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন সহস্রাধিককর্মী। তাঁদের হাতে পতাকা তুলে দেন মুকুল রায়। মমতার দল ছেড়ে মুকুলের হাত ধরেন তাঁরা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শপথ নেন। মুকুল রায় তৃণমূলের এই ভাঙন প্রসঙ্গেই শাসকদলের ঘোর সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন,'তৃণমূলের আমলে পঞ্চায়েত গুলিতে কোনও কাজই হয়নি। পঞ্চায়েতগুলিতে শুধু সিন্ডিকেটরাজ চলছে। সাধারণ মানুষ কোনও পরিষেবা পাচ্ছে না। সেই কারণেই প্রধান-উপপ্রধানরা দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এইভাবে তৃণমূল ফোঁপরা হয়ে যাবে। এখন কিছু বুঝতে পারছে না তৃণমূল। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরই বুঝবে তৃণমূল কত ধানে কত চাল।












Click it and Unblock the Notifications