চোর তাড়াতে গিয়ে ডাকাত ধরে এনেছিলেন মুকুল! কার উদ্দেশ্যে এমন কথা বিজেপি নেতার
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি শিবিরে নাম লিখিয়ে বোধদয় হয়েছে মুকুল রায়ের! তিনি এখন গণতন্ত্রের হত্যাকারী হিসেবে প্রতিপন্ন করছেন তাঁর পুরনো দল তৃণমূল কংগ্রেসকে।
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি শিবিরে নাম লিখিয়ে বোধদয় হয়েছে মুকুল রায়ের! তিনি এখন গণতন্ত্রের হত্যাকারী হিসেবে প্রতিপন্ন করছেন তাঁর পুরনো দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। নিজের নেত্রীকেই তিনি বলছেন গণতন্ত্রের হত্যাকারী। বাংলার গণতন্ত্রকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গলায় পা পিষে মারছেন বলে অভিযোগ বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের।

তিনি বলেন, একদিন রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলাম। কারণ তখন গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল সিপিএম। সেই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে ৩৪ বছরের জগদ্দল পাথরকে বিতাড়িত করেছিলাম বাংলার বুক থেকে। কিন্তু আজ বাংলার মানুষ হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছেন, আমরা কী পরিবর্তন পেলাম। বাংলার মানুষ আজ উপলব্ধি করছে, চোর তাড়াতে গিয়ে ডাকাত ঘরে এনেছি আমরা।
উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার এক জনসভায় এই ভাষাতেই তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন মুকুল রায়। তিনি বলেন, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছি বলে আমাকে বিশ্বাসঘাতক বলা হচ্ছে। কিন্তু যিনি বলছেন, তিনি কি বিশ্বাসঘাতকতা করেননি? তিনিও কংগ্রেসের টিকিটে সাংসদ হয়েছিলেন, মন্ত্রী হয়েছিলেন। তারপরও কংগ্রেসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে তিনি নতুন দল তৈরি করেছিলেন। আমি বিশ্বাসঘাতক হলে, তিনিও বিশ্বাসঘাতক।
এদিন ছত্রধর মাহাতোক নিয়েও মুখ খেলেন মুকুল পায়। তিনি বলেন আমি সম্প্রতি ছত্রধর মাহাতোর বাড়িতে গিয়েছিলাম। তারপরই ছত্রধর মাহাতোকে মুক্তি দেওয়া নিয়ে এত কথা হচ্ছে। তাঁকে ছাড়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications