মুকুল রায় বা শুভেন্দু অধিকারী কেউই গেলেন না বিধানসভায়, ঝুলেই থাকল দলত্যাগ মামলা

মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারী কেউই হাজিরা দিলেন না বিধানসভায়। বিধানসভায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের মামলা ঝুলেই থাকল।

মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারী কেউই হাজিরা দিলেন না বিধানসভায়। বিধানসভায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের মামলা ঝুলেই থাকল। মুকুল রায় শুভেন্দু এদিন হাজির না হওয়ায় এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দিলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্যো এপাধ্যায়। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ এপ্রিল।

মুকুল বা শুভেন্দু কেউই গেলেন না বিধানসভায়, ঝুলে মামলা

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে মামলা করেছিলেন বিজেপি বিধায়ক তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন করেন শুভেন্দু। এদিন সেই মামলার শুনানিতে দু-তরফের আইনজীবীরা উপস্থিত থাকলেও উপস্থিত ছিলেন না শুভেন্দু অধিকারী ও মুকুল রায়।

যিনি অভিযোগ করেছেন বা মামলা রুজু করেছেন তিনিও অনুপস্থিত, অনুপস্থিত যাঁর বিরুদ্ধে মামলা তিনিও। এদিন স্পিকারের ঘরে হাজিরা দিলেন দুই পক্ষের আইনজীবী। মুকুল রায়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সায়ন্তক দাস। আর শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে ছিলেন দুই আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য ও সূর্যনীল দাস। শুভেন্দুর পক্ষে এদিন হাজির ছিলেন বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়ও।

মুকুল রায় কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিয়ে জয়লাভ করেন। তারপর তিনি যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের পর আবার তিনি পিএসি চেয়ারম্যানও নিযুক্ত হন। এরপরই মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে দলত্যাগ আইন প্রয়োগ করে বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন করেন শুভেন্দু অধিকারী।

প্রায় এক বছর অতিক্রান্ত এই মামলা। এখনও মামলার শুনানি হয়নি। মামলাটি ইতিমধ্যেই উচ্চ আদালত এবং সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে এসে ফের স্পিকারের দরজায় এসেছে। কিন্তু ফয়সালা হয়নি। এদিন দুই তরফের অনুপস্থিতি ফের মামলাটিকে দীর্ঘায়িত করল। শুভেন্দু অধিকারী আবেদন করার পর প্রথমে বিধানসভার স্পিকার খারিজ করে দিয়ে জানিয়েছিলেন, মুকুল রায় বিজেপির বিধায়ক। তাঁর বিধায়ক পদ খারির হচ্ছে না।

শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভার স্পিকারের পাশাপাশি মামলা করেন হাইকোর্টেও। তারপর মামলাটি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। এই মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বিধানসভার স্পিকার বা অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট। তারপর ১১ ফেব্রুয়ারি বিধানসভার স্পিকার জানান, মুকুল রায় বিজেপিতে আছেন। তবে স্পিকারের সেই মন্তব্য বাতিল করে চার সপ্তাহের মধ্যে তা পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশর পর এদিন মামলার শুনানি ছিল। কিন্তু দুই পক্ষের কেউ উপস্থিত না থাকায় পিছিয়ে যায় মামলা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+