দিল্লি হাইকোর্ট চত্বরে মমতাকে 'গোল' দিলেন মুকুল, কী করলেন তিনি
দিল্লি হাইকোর্ট চত্বরে তাঁর ওপর নজরদারির দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা আধিকারিকদের সনাক্ত করার দাবি করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বুধবার ফোন ট্যাপিং মামলার শুনানি ছিল সেখানে।
দিল্লি হাইকোর্ট চত্বরে তাঁর ওপর নজরদারির দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা আধিকারিকদের সনাক্ত করার দাবি করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বুধবার ফোন ট্যাপিং মামলার শুনানি ছিল সেখানে। মুকুল রায়ের দাবি সেখানে কমপক্ষে ৩ সিআইডি আধিকারিক হাজির ছিলেন।

অভিযোগ ছিল, তাঁর ৪ টি ফোনে নজরদারি চালাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ফোন ট্যাপিং-এরও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। সেটার প্রমাণ কবে হবে, তা জানার আগেই আদালত চত্বরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন গোয়েন্দাকে সনাক্ত করলেন মুকুল রায়। তাঁদের সঙ্গে কথাও বলেন এই বিজেপি নেতা।
সূত্রের খবর, আদালত চত্বরে উঁকিঝুঁকি মারছিলেন এক ব্যক্তি। উদ্দেশ্য মুকুল রায়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি। কিন্তু তাঁকে তো আগে থেকেই চেনেন মুকুল। আর সেখান থেকেই উঠল নজরদারি নতুন অভিযোগ। আর সেক্ষেত্রে একেবারে হাটে হাড়ি ভাঙার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।
দিল্লি হাইকোর্ট চত্বরে হাজির পরিচিত ওই গোয়েন্দা আধিকারিকের কাছে গিয়ে মুকুল রায় প্রশ্ন করেন, ভাল আছেন? একইসঙ্গে মুকুল রায় সনাক্ত করে ফেলেন সেখানেই হাজির আরও ২ গোয়েন্দা আধিকারিককে। মুকুল রায় তাঁদের বলেন, তাঁদের কোনও দোষ নেই। ওপর ওয়ালার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, গোয়েন্দাদের কাছে মুকুল রায় জানতে চান, তাঁদের কোনও প্রশ্ন আছে কিনা। গোয়েন্দারা জানান, তাঁদের কোনও প্রশ্ন নেই।
বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে এর আগে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের শাসনকালেই ব্যক্তি বিশেষের ওপর এমন নজরদারি চলত। তৃণমূলে থেকে যে বাম শাসনের পরিবর্তন তাঁরা করেছিলেন, সেই শাসকরা এই ধরনের ঘটনায় যুক্ত ছিল না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন মুকুল রায়। পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র 'সুস্থ' কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুকুল রায়।
সূত্রের খবর, দিল্লি হাইকোর্টে ফোন ট্যাপিং নিয়ে শুনানির সময়ও মুকুল রায়ের পাশেই হাজির ছিলেন ওই তিন গোয়েন্দা আধিকারিক। এজলাসেও মুকুল রায় তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications