মুকুল-ঘনিষ্ঠ হালে পানি না পেয়েই কি শেষে সন্ধি করলেন শুভেন্দু-দিলীপের সঙ্গে, জল্পনা

মুকুল-ঘনিষ্ঠ হালে পানি না পেয়েই কি শেষে সন্ধি করলেন শুভেন্দু-দিলীপের সঙ্গে, জল্পনা

মুকুল-ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে সৌমিত্র খাঁয়ের পরিচিতি তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীনই। তারপর বিজেপিতেও এসেছিলেন মুকুল রায়ের হাত ধরে। তবে মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে যাওয়ার সময় সৌমিত্র খাঁ তাঁকে সমর্থন করেননি। বরং তিনি মুকুল রায়ের সমালোচনা করেছিলেন। তারপরও সৌমিত্রর স্থান হয়নি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। তখনই তাঁর রোষানলে পড়েন শুভেন্দু-দিলীপ।

বিতর্ক ঘুচে গেল শুভেন্দু-দিলীপের সঙ্গে সৌমিত্রর সন্ধিতে

বিতর্ক ঘুচে গেল শুভেন্দু-দিলীপের সঙ্গে সৌমিত্রর সন্ধিতে

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা রদবদলের পর যে কোন্দলের মুখে পড়তে হয়েছিল বিজেপিকে, তার আপাতত ইতি ঘটল। সর্বসমক্ষে সৌমিত্র খাঁ ভুল স্বীকার করে নিলেন শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষের কাছে। ফলে বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি পদ নিয়েও বিতর্ক ঘুচে গেল শুভেন্দু-দিলীপের সঙ্গে সৌমিত্রর সন্ধির পর।

হালে পানি পেলেন না মুকুল রায় মাথার উপরে না থাকায়

হালে পানি পেলেন না মুকুল রায় মাথার উপরে না থাকায়

কিন্তু সৌমিত্র খাঁয়ের এই সন্ধিস্থাপন কারণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়ে গেল। সৌমিত্র খাঁ কেন রণেভঙ্গ দিলেন। তবে কি তিনি হালে পানি পেলেন না মুকুল রায় মাথার উপরে না থাকায়। তাই তিনি দিলীপ-শুভেন্দুর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেও মিইয়ে গেলেন। শেষমেশ দিলীপ ঘোষ আর শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সন্ধিও করে নিলেন তিনি।

একঘরে হয়ে গেলেও এখনই তৃণমূলে যেতে পারতেন না সৌমিত্র

একঘরে হয়ে গেলেও এখনই তৃণমূলে যেতে পারতেন না সৌমিত্র

বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, রাজনৈতিক গুরু মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে চলে গেলেও শিষ্য সৌমিত্র খাঁয়ের তৃণমূলে যাওয়ার মুখ নেই। তিনি বিজেপিতে গিয়ে এতটাই খুল্লামখুল্লা সমালোচনা করেছেন মমতা-অভিষেকের যে তিনি বিজেপিতে একঘরে হয়ে গেলেও এখনই তৃণমূলে যেতে পারবেন না।

যুব মানেই লড়াই হবে, মাঝেমধ্যে ভুলও হবে, ক্ষমাপ্রার্থী সৌমিত্র

যুব মানেই লড়াই হবে, মাঝেমধ্যে ভুলও হবে, ক্ষমাপ্রার্থী সৌমিত্র

মুকুল-ঘনিষ্ঠ নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় স্থান না পেয়ে গর্জে উঠলেও সেই প্রতিবাদ থমকে যায় নিমেষে। শেষে অমিত শাহের হস্তক্ষেপে বঙ্গ বিজেপিতে কোন্দলের অবসান হয়। সৌমিত্র খাঁকে দিল্লিতে তলব করে বৈঠক করেন অমিত শাহ। তারপরই বরফ গলে। সৌমিত্র খাঁ যুব মোর্চার কার্যকারিণী সভায় সবাইকে অবাক করে দিয়ে বলেন, যুব মানেই লড়াই হবে, মাঝেমধ্যে ভুলও হবে। আমারও কিছু ভুল হয়েছিল। তা শুধরে নিলাম।

শুভেন্দু অধিকারীকেকে নিশানা সৌমিত্রর, শেষে ভুল স্বীকার

শুভেন্দু অধিকারীকেকে নিশানা সৌমিত্রর, শেষে ভুল স্বীকার

সৌমিত্র খাঁ বলেন, ফেসবুকে ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করাটা আমার ভুল হয়েছিল। সেজন্য সবার কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। উল্লখ্য, সৌমিত্র খাঁ শুভেন্দুকে নিশানা করে ফেসবুকে লিখেছিলেন, বিরোধী দলনেতা নিজেকে বিরাট করে জাহির করছেন। উনি তৃণমূলে যখন ছিলেন, তখনও নিজেকে বিশাল কিছু মনে করতেন। এখন উনি যা করছেন, তাতে যেন মনে হচ্ছে, বিজেপিতে শুধু ওঁরই অবদান আছে। নতুন নেতা দিল্লিতে গিয়ে বারবার দিল্লির নেতাদের ভুল বোঝাচ্ছেন, তাতে গোটা দল একটা জেলার মধ্যে চলে আসছে।

দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও সমালোচনা ফেসবুকে, শেষে সন্ধি

দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও সমালোচনা ফেসবুকে, শেষে সন্ধি

সৌমিত্র খাঁ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও সমালোচনা করেছিলেন ফেসবুকে। লিখেছিলেন, আমাদের রাজ্য সভাপতিকে কিছু বললে অর্ধেক বোঝেন, অর্ধেক বোঝেন না। এরপর থেকেই সৌমিত্র দলবদল নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। ইতিমধ্যে তিনি বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন। শেষে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বরফ গলে। সৌমিত্র খাঁকে এই ভুলের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করতে হয়। সন্ধির হাত বাড়াতে হয় দিলীপ-শুভেন্দুর দিকে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+