Muhammad Yunus: মহম্মদ ইউনূসের শ্বশুরবাড়ি বর্ধমানে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে আমন্ত্রণ শ্যালকের
Muhammad Yunus: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান পদে শপথ নিয়েই অশান্ত পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ডাক দিয়েছেন মহম্মদ ইউনূস। ২০০৬ সালে যিনি নোবেল পেয়েছিলেন।
হাসিনা সরকারের পতনের পর ইউনূসকেই বাংলাদেশের আন্দোলনরত ছাত্ররা চাইছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান পদে। ছাত্রদের সেই আবেদন ফেরাতে পারেননি ইউনূস।

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানা সময় কটাক্ষ করেছেন ইউনূসের প্রতি। যদিও ইউনূস ছাত্র সমাজের নয়নের মণি। জামাইবাবু অন্তর্বর্তী সরতারের প্রধান হয়েছেন। সে কারণে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া বর্ধমানের রানিগঞ্জ বাজারের লস্করদিঘির মহম্মদ আসফাক হোসেন তথা বাবু মিঁয়ার বাড়িতে।
আসফাক সম্পর্কে মহম্মদ ইউনূসের শ্যালক। তাঁদের বাড়িই বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়ি। এই বাড়িতে ২০০৬ সাল নাগাদ এসেছিলেন ইউনূস। যেবার তিনি নোবেল পেয়েছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী আফরোজি বর্ধমানের মেয়ে।
বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের ছাত্রী আফরোজি খুব মেধাবী ছিলেন ছোট থেকেই। পরে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির পদার্থবিদ্যার গবেষক হন। আফরোজিকে ১৯৮৩ সালে বিয়ে করেন ইউনূস। আফরোজি পরবর্তীকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
মহম্মদ ইউনূস ও আফরোজির কন্যা দীনা আফরোজ ইউনূসের জন্ম ১৯৮৬ সালে। জানা গিয়েছে, ইউনূসের স্ত্রী অনেক দিন ধরে অসুস্থ। এখন নাকি অনেক কিছুই মনে রাখতে পারেন না। তবে তাঁর যত্নে, চিকিৎসায় কোনও খামতি রাখেননি ইউনূস।
আসফাক জানালেন, তাঁরা প্রতি বছরই বাংলাদেশে যান। ইউনূসের পছন্দের বর্ধমানের সীতাভোগ-মিহিদানাও নিয়ে যান। আসফাকের কথায়, মাঝেমধ্যে বাংলাদেশে যাই। এটা আমার দিদিও চান। নয়তো দিদি রাগ করে বলেন, এতদিন আসিসনি কেন? আমারও তো মন কাঁদে স্বজনদের জন্য।
আসফাক চান, স্পট ভিসার বন্দোবস্ত করার। প্রবীণ নাগরিকরাও যাতে মসৃণভাবে বাংলাদেশে যেতে পারেন সেজন্য ভিসা প্রক্রিয়ার সরলীকরণের ব্যবস্থা করার অনুরোধও জামাইবাবুকে করছেন আসফাক। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, তাঁর মায়ের হাতের মাছ, মাংসের ঝোল খুব ভালোবাসেন ইউনূস। আত্মীয়-বন্ধুদের নিয়ে তিনি ঘরোয়া আড্ডা দিতেও ভালোবাসেন।
এমনকী একবার কলকাতায় ফেরার সময় ট্রেনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ফার্স্ট ক্লাস বগিতে না চেপে সাধারণ বগিতে চেপে গিয়েছিলেন ইউনূস। ফলে ইউনূস বাংলাদেশে শান্তি ফেরাবেন, আশায় বর্ধমানের এই পরিবার। ফোনে জামাইবাবুকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণও জানাবেন আসফাক।
আসফাক জানান, ইউনূস উদারমনা মানুষ। ভারতের সঙ্গেও তাঁর বরাবরের সুসম্পর্ক। ফলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে অবলীলায় মিশে যেতে পারেন। সহজেই সকলকে আপন করে নিতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications