ধর্ষণকাণ্ডে ভবানীভবনে হাজিরা এড়ালেন ঋতব্রত, ইমেল বার্তায় কী লিখলেন সাংসদ
এর আগেও ১১ অক্টোবর ধর্ষণকাণ্ডে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে সিআইডি। তারপর ১৬ অক্টোবর ফের ঋতব্রতর গড়ফার বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিশ ধরিয়ে আসেন সিআইডি অফিসাররা।
ব্যক্তিগত কাজের বাহানা দেখিয়ে ফের সিআই দফতরে হাজিরা এড়ালেন সিপিএমের বহিষ্কৃত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারও তিনি একই পন্থা অবলম্বন করে হাজিরা এড়িয়ে গেলেন। এদিন তিনি সিআইডিকে ফোন করে ১৫ দিন সময় চান। তিনি ইমেল করে সিআইডি-র কাছে এই আবেদন করেন। জানান, ব্যক্তিগত কাজ মিটিয়েই তিনি হাজিরা দেবেন।

সিপিএমের বহিষ্কৃত এই সাংসদের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ করেন নম্রতা দত্ত নামে এক মহিলা। সেই অভিযোগেরই পরিপ্রেক্ষিতে ঋতব্রতর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রুজু হয়। সিআইডি তদন্তভার নিয়েই সাংসদকে তলব করে। মঙ্গলবার তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয় ভবানী ভবনে। কিন্তু তিনি হাজিরা এড়াতে ইমেল পাঠান সিআইডিকে।
এর আগেও একবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করা হয়েছিল। ১১ অক্টোবর তাঁকে নোটিশ পাঠিয়েছিল সিআইডি। তিনিও সেই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। তারপর ১৬ অক্টোবর ফের ঋতব্রতর গড়ফার বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিশ ধরিয়ে আসেন সিআইডি অফিসাররা।
মঙ্গলবার তাঁকে হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। তারপরও তিনি ভবানীভবনে এলেন না হাজিরা দিতে। ১৫ দিনের সময় চেয়ে ইমেল পাঠিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গেলেন। সিআইডি ঋতব্রতর-র আবেদন গ্রাহ্য করবে কি না, তা স্পষ্ট করেনি সিআইডি। তবে অভিযুক্ত সাংসদের বিরুদ্ধে তদন্ত জারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে সিআইডি-র পক্ষে।
উল্লেখ্য, বালুরঘাট থানায় প্রথম অভিযোগ দায়ের হয়েছিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই তদন্ত শুরু হয়। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন ঋতব্রত। তিনি এই তদন্তের মুখোমুখি হওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন। এখন তাঁকে সিআইডি তলব করার পর বারবার হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications