Arjun Singh: অর্জুনের নিশানায় জমি দখলের চেষ্টায় অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক, সাংবাদিকের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস
Arjun Singh: তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ। তাও আবার সাংবাদিকের পরিবারের। উত্তর ২৪ পরগনার শ্যামনগরের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াতেই পৌঁছে গেলেন সাংসদ অর্জুন সিং। সরব হলেন বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীদের নিয়ে।
সাংবাদিক অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় কর্মসূত্রে থাকেন কলকাতায়। বাড়িতে থাকেন তাঁর বৃদ্ধা মা কাজলি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁদের জমি প্রোমোটারের হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু পরিবার রাজি না হওয়ায় বিধায়ক হুমকি দেন বলে অভিযোগ।

শ্যামনগর ২৪ নম্বর রেলগেটের কাছে থাকেন কাজলিদেবী। যেটি ভাটপাড়া পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে পড়ে। ভারতচন্দ্র গ্রন্থাগারের কাছে একটি জমি রয়েছে গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিবারের। শরিকি জমি, রয়েছে একটি পুকুরও। বিধায়ক-ঘনিষ্ঠ প্রোমোটারের হাতে জমি তুলে দিলে কয়েক লক্ষ টাকা দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।
সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি সাংবাদিকের পরিবার। অভিযোগ, বিধায়ক এরপরই হুমকি দিয়ে বলেন আমি থাকাকালীন ওই জমিতে জমির মালিকপক্ষ একটা পেঁরেক পুঁততে পারবেন না। এরপর থেকেই নানাভাবে হেনস্থা করার ফন্দি আঁটা হয়। এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয় কাজলিদেবীর পরিবার। জারি হয় ১৪৪ ধারা।
আদালতের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সম্প্রতি ওই জমিতে প্রবেশের মুখেই ভাটপাড়া পুরসভা সৌন্দর্যায়নের নামে বিশ্ব বাংলার লোগো বসিয়ে দেয়। ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও ছুটির দিনে প্রচুর মানুষের উপস্থিতিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলে নির্মাণকাজ। ঘটনাটি জানানো হয় পুর ও নগরোন্নয়মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে।
ফিরহাদ বলেন, বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না। ঘটনার কথা জেনে সাংসদ অর্জুন সিং বলেছিলেন ২২ জুলাই ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করব। সেইমতো আজ অর্জুন যথাসময়ে উপস্থিত হন। বৃদ্ধার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সরেজমিনে খতিয়ে দেখে বলেন, যা হয়েছে তা ঠিক হয়নি। কোনও জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া জমিতে ঢোকার মুখে কিছু করা যায় না। তা পুরসভার জমি হলেও।

অর্জুনের আশ্বাস, দলের উপর মহল অবধি বিষয়টি গিয়েছে। পরিবার ন্যায়বিচার পাবে। এরপরই অর্জুন বলেন, কিছু অসাধু লোকের জন্য দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। এরা যে সময় শাসক দলের সঙ্গে থাকতে পছন্দ করে। পুকুর ভরাট-সহ অবৈধ নানা কাজকর্মের কথা জানতে পেরেছি। দলকেও জানিয়েছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিশ্চিতভাবেই এ সব অবৈধ কাজ দমন করবেন।
উল্লেখ্য, অর্জুন সিং বিজেপিতে যাওয়ার পর উত্থান হয় সোমনাথ শ্যামের। তিনি জগদ্দলের বিধায়কও হন। সোমনাথ রাজনৈতিক মহলে অর্জুনের বিরোধী শক্তি হিসেবেই পরিচিত। অর্জুন আজ বলেন, ভোট লুঠ করে বেশিদিন জেতা যায় না। কিছু লোকজনের জন্য দলের ভাবমূর্তি খারাপ হচ্ছে, এ কথা ফের অর্জুনের মুখে উঠে আসাও তাৎপর্যপূর্ণ। অর্জুনের আশ্বাসে বল পেয়েছে সাংবাদিকের পরিবার।












Click it and Unblock the Notifications