লোকসভার আগে একাধিক বন্দেভারত পাচ্ছে বাংলা! কোন কোন রুটে চলবে সেগুলি?
বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন! আর সেই নির্বাচনের আগে আরও বেশ কয়েকটি বন্দেভারত এক্সপ্রেস পেতে চলেছে বাংলা। ইতিমধ্যে একটি বন্দেভারত এক্সপ্রেস পেয়েছে বাংলা। যেটি কিনা হাওড়া এবং শিলিগুড়ি রুটে চলাচল করে। এবার আরও বেশ কয়েকটি রুটে ভারতের সেমি বুলেট সুপারফাস্ট এই ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা সেরে ফেলেছে নাকি রেল। ইতিমধ্যে এই রুটগুলিতে বন্দে এক্সপ্রেস চালানোর প্রস্তাবে কার্যত সম্পত্তি মিলেছে বলেও রেল সূত্রে জানা যাচ্ছে।

একাধিক বন্দেভারত চলবে
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে হাওড়া থেকে একটি বন্দেভারত চলাচল করে। পরেরটি শিয়ালদহ স্টেশন থেকে চালানোর কথা রয়েছে। আর সেই মতো সেটি নাকি শিয়ালদহ এবং পুরীর মধ্যে চলবে বলে জানা গিয়েছে। বাকি তিনটি হাওড়া-পটনা, হাওড়া-রাঁচি, হাওড়া-বারাণসীর মধ্যে চলবে বলে জানা যাচ্ছে। লোকসভা ভোটের আগেই এই রুটে সেমি হাইস্পিড ট্রেনগুলি চালানোর পরিকল্পনা রেলের রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও ঠিক কবে থেকে চালানো হবে তা এখনও অবশ্য স্পষ্ট নয়।

প্রস্তাবে কার্যত সম্মতি রেলের
তবে রেলের তরফে এই রুটগুলিতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালানোর প্রস্তাবে কার্যত সম্মতি রেল দিয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। তবে বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে বলে এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার অরুণ অরোরা। তিনি জানিয়েছেন, রেলের বেশ কিছু জায়গাতে জবরদখল রয়েছে। সেগুলি তুলতে রীতিমত বেগ পেতে হচ্ছে রেল পুলিশকে। এমনকি এই জবর দখলের জন্যে হাওড়া-দিল্লি হাইস্পিড ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন ওই রেলের আধিকারিক। এমনকি রেলের জমিতে দেওয়ালও তোলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

হাওড়া থেকে দিল্লি রুটে আরও একটি বন্দেভারত
অন্যদিকে হাওড়া থেকে দিল্লি রুটে আরও একটি বন্দেভারত এক্সপ্রেস চালানোর সিদ্ধান্ত রয়েছে। যেটি ঘন্টায় ১৬০ কিমি গতিতে ছোটানোর ভাবনা চিন্তা রেলের রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মূলত যে রুট দিয়ে রাজধানী এক্সপ্রেস এই মুহূর্তে ছুটছে সেটি দিয়েই নয়া বন্দে এক্সপ্রেসটটি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে দেওয়াল তোলা থেকে জবরদখল মুক্তের মতো একাধিক সমস্যা থাকার কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে সমস্যা হচ্ছে বলে দাবি ভারতীয় রেলের।

কেন স্পিড বাড়ানো যাচ্ছে না
অন্যদিকে শিলিগুড়ি যাওয়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেসটি ঘন্টা প্রতি ১৩০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ছুটতে পারছে না। সেই প্রসঙ্গে রেলের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, হাই স্পিড ট্রেনের সহায়ক রেল ট্র্যাক বসানো যাচ্ছে না। এজন্যে মাটিকে দায়ী করছেন তাঁরা। আধিকারিকদের দাবি, মাটির ক্ষমতা কম। আর সেই কারণেই এই মুহূর্তে কোথাও ঘন্টায় ১১০ কিংবা কোথাও ১২৫ কিমি প্রতি ঘন্টাতে বন্দেভারত চালানো হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে বাকি রাস্তায় ঘন্টাতে ১০০ কিমি গতি বেগেই এনজিপি পউছাচ্ছে এই ট্রেন।












Click it and Unblock the Notifications