কাশ্মীরে জঙ্গি হানায় মৃত্যু আরও এক বাঙালি শ্রমিকের, মুর্শিদাবাদে শোকস্তব্ধ পরিবার
কাশ্মীর জঙ্গি হামলায় বাংলার আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হল। মঙ্গলবার জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন বাংলার পাঁচ শ্রমিক। একজন জখম হয়েছিলেন। সেই জখম শ্রমিক জহুরউদ্দিনের মৃত্যু হল কাশ্মীরে জঙ্গিহানার ঘটনায়।
কাশ্মীর জঙ্গি হামলায় বাংলার আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হল। মঙ্গলবার জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন বাংলার পাঁচ শ্রমিক। জখম হয়েছিলেন কয়েকজন। সেই জখম শ্রমিকদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হল কাশ্মীরে জঙ্গিহানার ঘটনায়। অর্থাৎ বাংলার মোট ছ-জন শ্রমিক প্রাণ হারালেন কাশ্মীরে দিনমজুরের কাজে গিয়ে। এখনও অনেকে নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে সূত্র মারফত।

কাশ্মীরের কুলাগ্রামে বাঙালি শ্রমিকরা কাজের সন্ধানে গিয়েছিলেন। ওই এলাকা হিজবুল মুজাহিদিনের প্রভাব রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গিরাই এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে বাঙালি শ্রমিকদের খুন করে। এর আগেও অ-কাশ্মীরি নিধন হয় ওই এলাকায়। এক ট্রাক চালক ও এক আপেল ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন করা হয়।
কুলাগ্রামে জঙ্গি হামলায় নিহতরা সবাই মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। কুলগ্রামের কাতরাসু গ্রামে অতর্কিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। যে ভাড়া বাড়িতে ছিল শ্রমিকরা, সেখানেই হানা দেয় জঙ্গিরা। জঙ্গিদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মুর্শিদাবাদের সাগরিগিধির পাঁচ শ্রমিক। সাগরদিঘির ব্রাহ্মণী গ্রামের কামরুদ্দিন শেখ, মুর্শিমান শেখ, রফিক আহমেদ শেখ, নইমুদ্দিন, রফিকুল আলমদের নৃশংসভাবে খুন করা হয়। পালাতে সমর্থ হলেও আহত হয়েছিলেন জহুরুদ্দিন-সহ বেশ কয়েকজন। তাদের মধ্যে এক আহত শ্রমিকেরও মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, এদিনই ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা পরিদর্শনে এসেছিলেন কাশ্মীরে। তার আগে-পরে ঘটে গেল ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনা। এই জঙ্গি হামলার ঘটনায় ফের একবার প্রশ্ন উঠে গেল নিরাপত্তা নিয়ে। ৫ আগস্ট কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত করার পরও যেভাবে একাধিকবার জঙ্গি হামলা ঘটানো হয়েছে, তা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে এলাকায়। তারপর ১৫দিনে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে জঙ্গি হামলায়।












Click it and Unblock the Notifications