আরও অস্বস্তি বাড়ছে দক্ষিণবঙ্গে, সকাল থেকেই হাঁসফাঁস অবস্থা
সকাল ছটা থেকেই রোদের তেজ। তার সঙ্গে গল গল করে দেখা দিচ্ছে ঘাম। প্রতিদিন আশা থাকছে, এবার বৃষ্টি হবে। সেই আশা যেন দূরাশায় বদলে যাচ্ছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বৃষ্টি নিয়ে কোনও বার্তা দিতে পারছে না। এই অস্বাভাবিক গরম এখনও ভোগ করতে হবে দক্ষিণবঙ্গকে। এই কথা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে একই রকম পরিস্থিতি কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে। চড় চড় করে রোদের তেজ বেড়েছে। জ্যৈষ্ঠর শেষ দিকে পুড়ছে বাংলার চারদিক। অসহ্য গরমে নাজেহাল আমজনতা। আজ রাজ্যের পশ্চিমবঙ্গের আট জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পাঁচ জেলাতে আগে থেকেই তাপপ্রবাহের সর্তকতা জারি করা হয়েছিল। আরও তিনটি জেলাতেও একই ভাবে তাপপ্রবাহের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কলাইকুন্ডায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ দক্ষিণবঙ্গে অত্যন্ত বেশি। সেই কারণে আরও বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর ও বাঁকুড়ায় গরম আজ আরও বাড়বে। তিন জেলার অনেক জায়গাতেই তাপপ্রবাহ অনুভব করা যাবে। কমলা সর্তকতা জারি করা হয়েছে এই তিন জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের আট জেলাতে তাপপ্রবাহের কথা জানানো হয়েছে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ৩৮° সেন্টিগ্রেডের ঘরে রয়েছে।
আপেক্ষিক আর্দ্রতা অত্যন্ত বেশি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। এবারে সেই কারণে এমন অস্বস্তি প্রকাশ পাচ্ছে। রাতের দিকেও কোনওভাবেই ঠান্ডা হচ্ছে না ভূপৃষ্ঠ। সেই কারণে গনগনে আঁচ অনুভব করা যাচ্ছে। ভোর রাতেও বহু জায়গায় গরম হাওয়া বয়ে চলেছে।
কবে এই পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। বর্ষার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে তার কোনও দেখা নেই। কেন দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসতে এত দেরি করছে? সেই প্রশ্ন উঠছে। প্রাক বর্ষার বৃষ্টি কবে থেকে হবে? সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর প্রথমে জানিয়েছিল, ১২ তারিখ থেকে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার বৃষ্টি শুরু হবে। কিন্তু সেই বিষয়ে এখনও পরিষ্কার বার্তা দিতে পারছে না হাওয়া অফিস। বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি আগামী ১৫ তারিখ থেকে দেখা যেতে পারে বঙ্গে। এই কথা প্রাথমিক ভাবে এখন জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications