পূর্বস্থলীতে নদীর ঘাটে গোপন ‘চেম্বারে’-এ উদ্ধার আরও ১৫টি নরকঙ্কাল
ফের নরকঙ্কালের হদিশ মিলল বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে। এই ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেফতার করার পর মিলল নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় কঙ্কাল চোরা কারবারের সূত্রও।
বর্ধমান, ২২ মার্চ : ফের নরকঙ্কালের হদিশ মিলল বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে। এই ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেফতার করার পর মিলল নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় কঙ্কাল চোরা কারবারের সূত্রও। পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে পূর্বস্থলী সংলগ্ন ভাগীরথীর ঘাট থেকে উদ্ধার করেছে আরও ১৫টি নরকঙ্কাল। এর আগে পূর্বস্থলীর কঙ্কাল চোরা কারবারের দুই পান্ডা তাপস ও মনোজ দাসের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ১৮টি নরকঙ্কাল।
মনোজ ও তাপসের পরিবারের তিনজন ও তাদের এক কাজের লোককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নকুল চৌধুরী নামে ওই কাজের লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করেই পূর্বস্থলীর নদীর ঘাটে কঙ্কাল ঘাঁটির খবর পায় পুলিশ। জালে ধরা পড়ে আরও চারজন। তাদের কাছ থেকে নাকাশিপাড়ার যোগ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এবার নাকাশিপাড়াতেও তল্লাশি চালানো হবে নদিয়া পুলিশের সাহায্য নিয়ে।

পূর্বস্থলীর কঙ্কালকাণ্ডের তদন্তে নেমে আন্তর্জাতিক চক্রের সন্ধান পায় পুলিশ। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, বিভিন্ন হাসপাতালের মর্গ থেকে মৃতদেহ সংগ্রহ করে কঙ্কালে পরিণত করা হত পূর্বস্থলীতে। মনোজ দাস ও তাপস দাস নামে দুই ভাই নিজের বাড়িতেই মাটির নিচে গোপন 'চেম্বার' করে কঙ্কাল প্রসেসিং-এর কাজ চালাত। তারপর সেই নরকঙ্কাল পাচার হয়ে যেত বিভিন্ন রাজ্য, এমনকী বাংলাদেশেও।
এই ঘটনায় এখনও মনোজ ও তাপসকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। গোপন সূত্রে খূর পেয়ে তল্লাশি করতে যাওয়ার আগেই বেপাত্তা হয়ে যায় তারা। এই কঙ্কাল চোরাচআলানের ব্যবসায় কাজে লাগানো নকুল চৌধুরীকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয় পুলিশ। এই চক্র যে বাংলায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে, সেই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারীদের হাতে।












Click it and Unblock the Notifications