রণক্ষেত্র সিংমারি, পুলিশের গুলিতে মৃত ২ সমর্থক, দাবি মোর্চার
আগুন জ্বলছে পাহাড়ে। মোর্চার হিংসা থামাতে যা-যা দরকার সবই করেছে পুলিশ। পুলিশ দায়ী নয়, বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
পাহাড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার মিছিলকে কেন্দ্র করে অনির্দিষ্টকালীন বনধের মধ্যেই শনিবার রণক্ষেত্র হয়ে উঠল সিংমারি। দুই মোর্চা সমর্থকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ মিছিলের পথ আটকাতেই ব্যারিকেড ভেঙে এগনোর চেষ্টা করে মোর্চা সমর্থকরা। পুলিশ বাধা দিলে মোর্চা সমর্থকদের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশও পাল্টা লাঠিচার্জ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। পুলিশের গুলিতে দুই সমর্থকের মৃত্যুর অভিযোগ করে ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেছে মোর্চা। এডিজি আইনশৃঙ্খলা জানিয়েছেন, পুলিশ গুলি চালায়নি।
বিমল গুরুংয়ের বাড়ি সংলগ্ন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার পার্টি অফিসে তল্লাশি চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের পর শুক্রবার রাতে বিনয় তামাংয়ের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। তারই প্রতিবাদে শনিবার পাহাড়ে মিছিল করে মোর্চা সমর্থকরা। লেবংয়ের সিংমারিতে তিনটি মিছিল এক হওয়ার পরই তাণ্ডব শুরু করে মোর্চা। গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে স্লোগান তোলা হয় এদিনের মিছিল থেকে।

এদিকে মোর্চা নেতৃত্বের অভিযোগ, শুক্রবার রাতে বিনয় তামাংয়ের বাড়িতে ঢুকে তল্লাশির নামে তাণ্ডব চালায় পুলিশ। ভাঙচুর করা হয় মোর্চা নেতার বাড়িতে। অভিযোগ পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীরাও বাড়িতে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, তাঁদের নেতা দেওরাজ গুরুংয়ের বাড়িতে পেট্রোল বোমা ছোড়া হয়েছে। বিজনবাড়ির পূর্ত দফতরেও আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
এদিন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার কোনও মিছিলই শেষপর্যন্ত গুরুংয়ের বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছতে পারেনি। তা্র আগেই ব্যারিকেড করে আটকে দেওয়া হয় মিছিল। তৃণমূলও পাল্টা পথে নেমে মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুংয়ের গ্রেফতারির দাবি তোলে। বিমল গুরুংয়ের বাড়ির সামনে সেনা-পুলিশ পিকেটিং চলছে।












Click it and Unblock the Notifications