কেরলে বর্ষায় বিলম্ব! বাংলায় মৌসুমী বায়ু প্রবেশে বাধা কোথায়, কী বলছে আবহাওয়া দফতর
বাংলায় রয়েছে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা শুষ্ক বাতাসের দাপট। আর আন্দামান ছাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গ (west bengal) উপকূলের দিকে বর্ষা যেটুকু এগিয়ে তা আটকে (barrier) রয়েছে মায়ানমারের কাছে। এর ফলে উত্তরপূর্ব ভারতেও বর্ষা (monsoon) প্রবেশ করতে পারছে না। যে কারণেও আবহাওয়ার (Weather) এই পরিস্থিতি।
সাধারণভাবে উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্ষা প্রবেশ করলেও বাংলায় তা আসা নিয়ে কোনও কথা বলা যায়। বাংলায় সাধারণ ভাবে বর্ষা প্রবেশের কথা ৮ জুন থেকে ১০ জুনের মধ্যে। দক্ষিণবঙ্গ তথা কলকাতায় তা শুরু হতে আরও দিন কয়েক লেগে যায়।

কেরলে যেখানে ১ জুন বর্ষার প্রবেশের কথা, সেখানে ৬ জুনও তা প্রবেশ করেনি। তবে কেরলে মৌসুমী বায়ু প্রবেশের সঙ্গে বাংলায় বর্ষার সরাসরি কোনও সংযোগ নেই। তবে এবার এই মুহূর্তে আরবসাগরে নিম্নচাপ শক্তিশালী হওয়ায় তা বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী মৌসুমী বায়ুর প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।
বর্তমানে আরব সাগরে নিম্নচাপের কারণে কেরলে বর্ষার প্রবেশে দেরি হচ্ছে। নিম্নচাপ নিজের দিকে হাওয়া টেনে নেওয়ায় কেরল উপকূলে মৌসুমী বায়ু এই মুহূর্তে দুর্বল। তবে সেখানে মৌসুমী বায়ু প্রবেশের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে আরও ২-৩ দিন সময় লেগে যেতে পারে।

আবহাওয়া দফতরের হাতে বর্ষার প্রবেশে দেরির উদাহরণ রয়েছে অনেক। ২০১৯-এ কেরলে বর্ষার ঢোকে ৮ জুন। সেই বছর কলকাতায় বর্ষার প্রবেশ করেছিল ১৬ জুন। আর দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়তে সময় লেগেছিল ২২ জুন পর্যন্ত।
তবে বাংলায় মৌসুমী বায়ু প্রবেশের বিষয়টি কেরলের সঙ্গে যুক্ত নয়। কেরলে মৌসুমী বায়ুর সাত থেকে আটদিন দেরি মানে বাংলায় তা তত দেরি হবে, তার কোনও মানে নেই। বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী বায়ু কতটা শক্তিশালী, তার ওপরে উত্তর-পূর্ব ভারতে মৌসুমী বায়ু প্রবেশ নির্ভর করে। তার পরে আসে বাংলার কথা।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আপাতত বাংলার কোনও কোনও জেলায় স্থানীয়ভাবে বজ্রপাত-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। এছাড়া আশপাশে স্থলভাগের ওপরে কোনও উচ্চচাপ বলয় নেই, যেখান থেকে বঙ্গবাসীর স্বস্তি আনতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications