মমতার মায়া নেই মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট সেলিমের
মমতার মায়া নেই মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট সেলিমের
বাংলায় মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর রাজত্ব চলছে ১১ বছর। বাংলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের মধ্যে একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। নাম মমতা হলেও তাঁর কোনও মায়া নেই। নদিয়ার হাঁসখালিতে ১৪ বছরের কিশোরীর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তাহলে তিনি এমন নির্দয় মন্তব্য করতেন না। হাঁসখালি-কাণ্ডে হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে এমনই ভিডিও পোস্ট করলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।

সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের একটি ভিডি পোস্ট করেছেন সম্প্রতি। সেখানে তিনি বলেছেন, মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও মায়া নেই। যদি আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর মায়া-মমতা থাকত, তাহলে হাঁসখালির নির্যাতিতা কিশোরীকে নিয়ে ওই মন্তব্য করতেন না। কখনই নির্যাতিতা কিশোরীর পাশে না দাঁড়িয়ে তিনি ধর্ষকের পাশে দাঁড়াতেন না।
হাঁসখালির ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক। তিনি বলেন, হাঁসখালি ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত করবে, এছাড়া আরও কয়েকটি ঘটনায় সিবিআই তদন্ত হচ্ছে রাজ্যে। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। কেননা হাঁসখালি-কাণ্ড এবং তার আগে ও পরে যেসব ঘটনা ঘটে চলেছে, তা সমর্থন যোগ্য নয় আদৌ।
এবার একুশের নির্বাচনের প্রচারে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের পক্ষ থেকে স্লোগান তোলা হয়েছিল- বাংলা এবার তার নিজের মেয়েকেই চায়। বাংলার মানুষ তার নিজের মেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়েছেন। টানা তিনবার বাংলার কুর্সিতে বসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বাংলার মানুষ কি এই বাংলা চেয়েছিল?
মহম্মদ সেলিম গর্জে উঠলেন। মহিলা মুখ্যমন্ত্রী তিনি। বাংলায় সেখানে কেন প্রতিদিন মহিলারা অত্যাচারিত হবে। কেন প্রতিদিন ধর্ষণ হবে? কেন মহিলাদের ন্যূনতম নিরাপত্তা থাকবে না। আবার মহিলারা ধর্ষিতা হবেন, তারপর বাংলার সেই মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ধর্ষকদের পাশে দাঁড়াবেন। যে কিশোরী নির্যাতিতা হলেন, ধর্ষিতা হলেন, তার প্রতি কোনও মায়া-মমতা থাকবে না বাংলার সেই নিজের মেয়ের। বাংলার নিজের মেয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মহিলাদের ধর্ষণে দোষ চাপাচ্ছেন বাংলার একটা ছোট্ট মেয়ের উপরই।
মহম্মদ সেলিম বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে যা বলেছেন, তার জন্য তাঁকে অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে হবে। তিনি ওই পদে থাকার যোগ্য নন। রাজ্য সরকারকে নিশানা করে তিনি বলেন, রাজ্য সরকার জোর করে পঞ্চায়েত দখল করছে, থানা দখল করছে, এখন আবার আদালতে গিয়ে গুন্ডামি করছে, ভয় দেখাচ্ছে। এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনও অধিকার নেই।












Click it and Unblock the Notifications