জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা, স্বাস্থ্যমন্ত্রকের চিঠি পেয়েই জরুরি বৈঠক নবান্নে, জারি হতে পারে বিশেষ গাইডলাইন
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নির্দেশ পাওয়ার পরেই নবান্নে তড়িঘড়ি বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
জলবায়ু পরিবর্তনের জের। মার্চেই পারদ চড়ে ৩৫ ডিগ্রিতে আগেই জানিয়ে দিয়েছে হাওয়া অফিস। পশ্চিমভারতের একাধিক রাজ্যে ফেব্রুয়ারিতেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে। এবার আগে থেকেই সতর্ক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। আগেই গরম জনিত অসুখ বা রোগগুলির উপর নজরদারির নির্দেশ দিয়ে রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল গুলিকে চিঠি পাঠিয়েছে। সেই চিঠি পাওয়ার পরেই নবান্নে জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মার্চেই দহন জ্বালা
হঠাৎ করেই শীত বিদায় নিয়ে ফেলেছে। বসন্ত বলে আর কিছু নেই। একেবারে গরমের পারদ চড় চড় করে চড়তে শুরু করেছে। ফেব্রুয়ারি মাসেই রাজ্যের তাপমাত্রার পারদ চড়েছে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মার্চ মাসে সেটা ৩৫ ডিগ্রিতে পৌঁছে যাবে আগেই জানিয়ে দিয়েছে হাওয়া অফিস। পশ্চিম ভারতের রাজ্য রাজস্থান, গুজরাতে তো তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেখানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করে িগয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে এমন গরম খুব একটা দেখা যায়নি। এবার হঠাৎ করে ফেব্রুয়ারি মাসের পারদ বৃদ্ধিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের জের
আবহাওয়ার এইরকম খাম খেয়ালি পনা যে জলবায়ু পরিবর্তনের জেরেই হচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। একদিকে যখন সিকিম, সান্দাকফু নতুন করে তুষারে ঢেকেছে বসন্তে। সেখানে দক্ষিণবঙ্গে দহন জ্বালা। একেবারে দুই বিপরীত চরিত্রের আবহাওয়া সচরাচর দেখা যায় না। এবার আর বসন্ত বলে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। শীতের পরেই হঠাৎ গরম হাজির। তাপমাত্রা ২০-২৫ ডিগ্রি থেকে লাফ দিয়ে ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছে যাচ্ছে। পুরোটাই ঘটছে সপ্তাহের ব্যবধানেই। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই যে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আবহাওয়ার তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

রাজ্যগুলিকে চিঠি
বসন্তের বদলে হঠাৎ গরম চলে যে স্বাস্থ্যে তার প্রভাব পড়বে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। প্রচণ্ড শীত থেকে হঠাৎ ৪০ ডিগ্রির তাপমাত্রার ট্রানজিশন মানেই অসুখ। সেটা ঘটতে বেশি সময় নেবে না। হয়তো ঘটতেও শুরু করেছে। তাপপ্রবাহের ধাক্কায় হিটস্ট্রোক থেকে শুরু করে একাধিক রোগ দেখা দিতে শুরু করবে। আগে থেকেই তাই সতর্ক রাজ্য। এই সব রোগ নিয়ে রাজ্যগুলিকে তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে সব রোগের রিপোর্ট তৈরি করে কেন্দ্রকে িরপোর্ট দিতে বলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এই নিয়ে রাজ্যগুলিকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

নবান্নে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী
রাজ্যে ইতিমধ্যেই অ্যাডিনো ভাইরাস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। শুধু কলকাতা শহরে অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপটে গত ৫দিনে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে স্বাস্থ্য দফতর একাধিক গাইডলাইন জারি করেছে। কিন্তু এবার পুরো বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাদ্যায়। অ্যাডিনো নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। জরুরি ভিত্তিতে অ্যাডিনো বাইরাস মোকাবিলায় একাধিক নির্দেশিকা রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর জারি করতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications