আম্ফানের গ্রাসে সুন্দরবন, খোলা আকাশের নিচে থাকা দুর্গতদের পাশে বিধায়ক পার্থ
১০ দিন পেরিয়ে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছে সুন্দরবনের মানুষ। আম্ফানের গ্রাসের সুন্দরবনের দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি হুইফ তথা পানিহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক।
১০ দিন পেরিয়ে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছে সুন্দরবনের মানুষ। আম্ফানের গ্রাসের সুন্দরবনের দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি হুইফ তথা পানিহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক। সুন্দরবনের প্রায় কুড়ি হাজার মানুষের হাতে তুলে দিলেন বিশুদ্ধ পানীয় জল, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, জল বাহিত রোগের হাত থেকে বাঁচতে পর্যাপ্ত ওষুধ, ব্লিচিং পাউডার, এছাড়া যারা সব কিছু হারিয়েছে তাদের জন্য নতুন বস্ত্র তুলে দেন।

রবিবার দুপুরে বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, সন্দেশখালির দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিলিতে ডেপুটি হুইপের সাথে ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বাদল মিত্র, জেলা পরিষদের কৃষি কর্মদক্ষ বুরহানুল মুকাদ্দিন, রাজ্য তৃণমূল ছাত্রযুবর সাধারণ সম্পাদক সমীক রায় অধিকারী, হিঙ্গলগঞ্জের বিধায়ক দেবেশ মণ্ডল, বসিরহাট উত্তরের চেয়ারম্যান এটিএম আব্দুল্লাহ, স্থানীয় জেলার তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা।
সেদিন রাতের ভয়াবহতা এখনো যেন চোখের পাতায় আটকে রয়েছে। বহু গ্রামের জল এখনও নামেনি। আজও জল থইথই করছে দুই ২৪ পরগনার অনেক গ্রাম। সেই ২১ তারিখ থেকে বহু গ্রাম এখনও ভেসে আছে। অনেক জায়গায় মাটির বস্তা ইত্যাদি দিয়ে নদীর ভাঙা বাঁধে জোড়াতালি দেওয়া হলেও, অনেক জায়গাতে সেটুকুও হয়নি। ফলে নদীর সঙ্গে জোয়ার-ভাটা খেলে চলেছে গ্রামে গ্রামে।
তাই এদিন ক্ষতিগ্রস্থ সুন্দরবনের প্রায় কুড়ি হাজার পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ দ্রব্যাদি দিয়ে তিনি দুর্গত সঙ্গে একদিকে কথা বলেন। তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা জানেন। জানান, রীতিমত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে যারা বেঁচে আছে তাদের দেখতে ছুটে এসেছি। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এবং এই লড়াই করে বেঁচে থাকতে হবে বলেও সাহস যোগান। এ লড়াই যেমন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একজন প্রতিনিধি হয়ে সবাই মিলে মানুষের সঙ্গে নিয়ে লড়াই করে বাংলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার বার্তা দেন। বলেন, এই বিপর্যয়ের মধ্য কিছু তো সমস্যা থাকবে। সেগুলো কাটিয়ে উঠে আবার বাংলা স্বাভাবিক হবে।












Click it and Unblock the Notifications