ভোট পরিবর্তী সন্ত্রাস এবং কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক নওশাদ
কৃষক আন্দোলন সমর্থনে কলকাতায় পথে নামতেই আটক করা হল আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে। শুধু কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন নয়, রাজ্যে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়েও এদিন পথে নামেন সংযুক্ত মোর্চার একমাত্র বিধায়ক।
কৃষক আন্দোলন সমর্থনে কলকাতায় পথে নামতেই আটক করা হল আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে। শুধু কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন নয়, রাজ্যে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়েও এদিন পথে নামেন সংযুক্ত মোর্চার একমাত্র বিধায়ক।

অভিযোগ, ভোটের পর থেকে বিভিন্ন ভাবে আইএসএফ কর্মীদের হেনস্তা করা হচ্ছে। মার খেতে হচ্ছে তাদের। এমনকি পুলিশ প্রশাসনও মিথ্যা মামলায় কর্মীদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
এমনই একগুচ্ছ দাবিতে এদিন পথে নেবে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন নওশাদ। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যে পুলি ঘটনাস্থলে এসে তাঁকে আটক করে। বিধায়ক ছাড়াও সমস্ত বিক্ষোভকারীকেই আটক করেছে পুলিশ বলে খবর। তাঁদের লালবাজার নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এদিন সাময়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ধর্মতলা চত্বরে। পুলিশের দাবি, করোনা পরিস্থিতি চলছে। একাধিক বিধি নিষেধ রয়েছে। কার্যত কোনও অনুমতি না নিয়ে এভাবে বিক্ষোভ দেখানো যায় না। আর সে কারণে ভাঙরের বিধায়ককে সঙ্গে সঙ্গে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।
বিক্ষোভকারী অন্যান্য আইএসএফ সদস্যদেরও আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। নওশাদ জানিয়েছেন, ভোটের আগে থেকে বাংলাতে সন্ত্রাসের আবহ। বিরোধীদের বক্তব্য দমিয়ে বন্ধ করে রাখা হচ্ছে। ভোট মিটে গেলেও সেই একই ছবি।
ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস চলছে আইএসএফ কর্মীদের মিথ্যা মামলাতে আটক করা হচ্ছে। প্রতিবাদ জানাতে গেলেই আক্রান্ত হতে হচ্ছে। আর সেই কারণেই এই প্রতিবাদ বলে জানান বিধায়ক। কিন্তু পুলিশ কর্মসূচি শুরুর আগেই নওশাদকে আটক করে লালবাজারে নিয়ে যায়।
শুধু ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নয়, কৃষকদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন আইএসএফ। এদিন এই বিষয়েও প্রতিবাদ ছিল। কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েও সরব হয়েছিলেন আইএশএফ নেতা-কর্মীরা। তবে নওসাদে দাবি, পুলিশ ইচ্ছাকৃত ভাবে তাঁদের কর্মসূচি ভেস্তে দিয়েছে। আগে থেকেই অনুমতি নেওয়া ছিল।
কিন্তু পুলিশ তা মানতে চাইছে না বলে দাবি তাদের। তবে অন্যদিকে এদিন শুধু আইএসএফের তরফে বিক্ষোভ দেখানো হয়। কোনও বাম কিংবা কংগ্রেসের তরফে কোনও প্রতিনিধি ছিল না সেখানে। রাজনৈতিকমহলের প্রশ্ন, তাহলে কি জোটে ভাঙন। আব্বাসকে এড়িয়ে যাচ্ছে বাম-কংগ্রেস দুজনেই?
যদিও কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আইএসএফের সঙ্গে তাঁদের কোনও জোট হয়নি। আবার আব্বাসের সঙ্গে জোট করা নিয়ে দলের মধ্যে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে আলিমুদ্দিনের ম্যানেজারদের।
এই অবস্থায় দুজনেই দূরত্ব বাড়াচ্ছে বলে দাবি রাজনৈতিকমহলের।












Click it and Unblock the Notifications