হারানোর জন্যে ষড়যন্ত্র হয়েছে, সব প্রমাণ আছে! ফাঁস করার হুঁশিয়ারি বিধায়ক হিরণের
এমনটাই অভিযোগ বিজেপির। এরপরেও একাধিক ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থীরা জয় পেয়েছে। প্রায় ৬৩ জন প্রার্থী ১০৮ পুরসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছেন। আর সেই সমস্ত ভাবী কাউন্সিলারদের সংবর্ধনা দেবে বঙ্গ বিজেপি। আর এজন্যে জাতীয় গ্রন্থাগারের সভাক
পুরভোটের নামে প্রহসন হয়েছে! এমনটাই অভিযোগ বিজেপির। এরপরেও একাধিক ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থীরা জয় পেয়েছে। প্রায় ৬৩ জন প্রার্থী ১০৮ পুরসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছেন। আর সেই সমস্ত ভাবী কাউন্সিলারদের সংবর্ধনা দেবে বঙ্গ বিজেপি। আর এজন্যে জাতীয় গ্রন্থাগারের সভাকক্ষে একটি বিশেষ বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে।

আর সেই বৈঠক শুরু হওয়ার আগে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সেই অনুষ্ঠান ঘিরেও বিতর্ক। এই অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই বিস্ফোরক অভিযোগ হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের। শুধু তাই নয়, ষড়যন্ত্র ফাঁস করারও হুঁশিয়ারি তাঁর।
সুকান্ত মজুমদারকে ফোন করেন বিধায়ক হিরণ
জানা গিয়েছে, এই আমন্ত্রণ-পত্র পাওয়ার পরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ফোন করেন বিধায়ক হিরণ। ফোনালাপে তাঁকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই অনুষ্ঠানে তাঁর পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। শুধু তাই নয়, পুর নির্বাচনে তাঁকে হারানোর জন্যে ষড়যন্ত্র তৈরি করা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তাঁর।
শুধু তাই নয়, পুর নির্বাচনে তাঁকে হারানোর জন্যে কে বা কারা ষড়জন্ত্র তৈরি করেছিল তা সব প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি হিরণের। আর তা আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে সামনে নিয়ে আসব বলেও হুঁশিয়ারি।
এমনকি সাংবাদিক বৈঠক করে সেই সমস্ত তথ্য ফাঁস করার দাবি কাউন্সিলরের। আর এহেন হুঁশিয়ারি ঘিরে নতুন করে বঙ্গ বিজেপিতে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠবে বলে আশঙ্কা।
দিলীপ ঘোষ অনুগামীদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দাবিও করেছেন
গত কয়েকদিন আগেই শুভেন্দু-সুকান্তদের চাপ বাড়িয়ে বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন হিরণ। নাম না করে দিলীপ ঘোষ অনুগামীদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দাবিও করেছেন। যা নিয়ে বহুবার তোপ-পালটা তোপও হয়েছে। এই অবস্থায় দিলীপ ঘোষের খাসতালুকে প্রার্থী করা হয় বিজেপির এই বিধায়ককে।
কিন্তু প্রার্থী করার পরেও কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। ঘনিষ্ঠমহলে হিরণ জানিয়েছিলেন, তাঁকে নাকি হারানোর ছক করা হচ্ছে। এমনকি দলের একাংশই তাঁকে হারানোর জন্যে ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন। কিন্তু প্রকাশ্যে বিজেপি নেতা কোনও কথা বলেননি।
কলকাতায় যাওয়ার মতো অবস্থা নেই
তবে এই বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে হিরণ জানিয়েছেন, কলকাতায় যাওয়ার মতো অবস্থা নেই। কর্মীরা মার খাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গাতে শাসকদলের সন্ত্রাস চলছে বলে অভিযোগ বিধায়কের। আর সেই অবস্থা ছেড়ে কলকাতায় আসার কোনও প্রশ্নই নেই।
আর তা ইতিমধ্যে শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়ে দিয়েছেন বলেও ওই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন অভিনেতা। উল্লেখ্য, আজ বিজেপির দুই গোষ্ঠীর অশান্তির খবর সামনে এসেছে। হিরণ অনুগামী বিজেপি নেতা-কর্মীদের মারধরের অভিযোগ। অভিযোগের তির দিলীপ ঘনিষ্ঠদের।












Click it and Unblock the Notifications