বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকেই পঞ্চায়েতের রোডম্যাপ! মিঠুনের সক্রিয়তায় বাড়ছে জল্পনা
সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর এরপরেই লোকসভা নির্বাচন। ব্যাক টু ব্যাক দুটি বড় নির্বাচন। আর এর মধ্যেই রাজ্যে এসে বঙ্গ বিজেপিকে কার্যত টাস্ক বেঁধে দিয়ে গিয়েছেন শাহ-নাড্ডারা। পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়ে
সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর এরপরেই লোকসভা নির্বাচন। ব্যাক টু ব্যাক দুটি বড় নির্বাচন। আর এর মধ্যেই রাজ্যে এসে বঙ্গ বিজেপিকে কার্যত টাস্ক বেঁধে দিয়ে গিয়েছেন শাহ-নাড্ডারা। পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তাঁরা।
কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বঙ্গ বিজেপিতে কোন্দল। সাংগঠনিক অবস্থাও তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই অবস্থায় মিঠুন চক্রবর্তীর উপরেই ভরসা করছেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

শুরু বৈঠক
এই অবস্থায় ফের একবার কলকাতায় এলেন মিঠুন চক্রবর্তী। শুধু আসা নয়, শুরু হয়েছে বৈঠকও। কলকাতায় বিজেপি দফতরে মিঠুন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে এই বৈঠক শুরু হয়েছে। যেখানে সমস্ত বিজেপি বিধায়ক রয়েছেন বলেও জানা যাচ্ছে। কার্যত বেশির ভাগ বিধায়কই এদিন এই বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। বেশ কয়েকজন ব্যক্তিগত কারনে আসেননি বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কি কারণে এ বৈঠক তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বঙ্গ রাজনীতিতে মিঠুন চক্রবতী ফের একবার সক্রিয় হতে চলেছে তা স্পষ্ট

পঞ্চায়েতের প্রচারে মিঠুন
গত বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত বাংলায় ঝড় তুলেছিলেন মিঠুন। এবার এর একব্র প্রচারে দেখা যেতে পারে তাঁকে। জানা যাচ্ছে, সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী চাইছেন পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রচারে ময়দানে নামুক মিঠুন। আর তা নিয়েই দিন আলোচনা বলে জানা যাচ্ছে। কোন জায়গাতে বিজেপি'র শক্তি বেশি-কোথায় প্রচার প্রয়োজন। সমস্ত কিছু নিয়েই এই বৈঠক চলছে বলে জানা যাচ্ছে। কার্যত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রোডম্যাপ তৈরি করতেই এই বৈঠক।

সুকান্ত-মিঠুন বৈঠক
বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপি বড়সড় ধাক্কা খায়। আর এরপর থেকেই বঙ্গ বিজেপিতে আর দেখা যায়নি মিঠুন চক্রবর্তীকে। গত মাসে হঠাত করেই কলকাতায় আসেন মিঠুন। সোজা চলে যান বঙ্গ বিজেপির দফতরে। সেখানএবিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন। পরে সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিজেপি কিছু কাজ আমাকে দিয়েছে। সেগুলি করতে হবে। তবে কি কাজ দেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট করা হয়নি। তবে এদিনের এই বৈঠকের দিকে নজর সবপক্ষের।

মাথা ঘামাতে নারাজ তৃণমূল
তবে বঙ্গ রাজনীতিতে মিঠুনের সক্রিয় হঅয়া নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাতে নারাজ তৃণমূল। নেতৃত্বের দাবি, বিধানসভা নির্বাচনে প্রচার করেছিলেন মিঠুন। তাতে কি লাভ হয়েছে সেটা সবাই জানে। ফলে মিঠুন নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ বলে দাবি তৃণমূলের। বাংলায় এক্টাই মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেও দাবি তৃনমূলের।












Click it and Unblock the Notifications