বিজেপির অনেকেরই দু-নৌকায় পা! তৃণমূলকে হুঙ্কারের পাশাপাশি দলকেও বিঁধলেন মিঠুন
শুধু তৃণমূলকেই নিশানা করলেন না মিঠুন চক্রবর্তী। বঙ্গ বিজেপির ডাকে সাড়া দিয়ে পুজোয় জনসংযোগে এসে মিঠুন চক্রবর্তী নিজের দলের নেতাদেরও সাবধান করলেন। দলের অনেক নেতা দু-নৌকায় পা দিয়ে চলছে বলে তাঁর দাবি।
শুধু তৃণমূলকেই নিশানা করলেন না মিঠুন চক্রবর্তী। বঙ্গ বিজেপির ডাকে সাড়া দিয়ে পুজোয় জনসংযোগে এসে মিঠুন চক্রবর্তী নিজের দলের নেতাদেরও সাবধান করলেন। দলের অনেক নেতা দু-নৌকায় পা দিয়ে চলছে বলে তাঁর দাবি। তিনি তাঁদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিলেন কী করণীয়। তণমূলে ভাঙন জল্পনা ছড়ানোর পাশাপাশি তিনি বিজেপিকে বিঁধলেন।

দু-নৌকায় পা দিয়ে চলবেন না
মিঠুন চক্রবর্তীর সাফ কথা, দলে থেকে দলের লোকসান করবেন না। দলের প্রতি যদি আপনার আস্থা-ভরসা না থাকে, তাহলে দল ছেড়ে দিন। বিজেপি নেতাদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে তিনি জানান, দু-নৌকায় পা দিয়ে চলবেন না। এটা ঠিক নয় একেবারই। মনে রাখুন, সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে, তবেই মিলবে সাফল্য।

বাংলায় এসে মিঠুন চক্রবর্তীর পরামর্শ
দুর্গাপুজোর আগে বাংলায় এসেছেন জনসংযোগের লক্ষ্যে। মিঠুন চক্রবর্তীর মতো মুখকে কাজ লাগিয়ে বিজেপি প্রচারে ঝড় তুলতে চাইছে পুজোর বাংলায়। বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই বিজেপি দুর্গাপুজোর বাংলাকে কাজে লাগাতে চাইছে। আর প্রাক পুজো মরশুমে বিজেপির জাতীয় কর্ম সমিতির অন্যতম সদস্য মিঠুন চক্রবর্তী বাংলায় এসে পরামর্শ দিলেন দলের নেতাদেরও।

দু-নৌকায় পা দিয়ে দলকে ডোবাবেন না
মিঠুন বলেন, সবাইকে এক হয়ে লড়াই করতে হবে। বুথে বুথে আগে ডিফেন্স তৈরি করচতে হবে। শুধুমাত্র স্লোগানের উপর ভিত্তি করে চললে হবে না। উন্নয়নের মাদ্যমে নিজেদের জাহির করতে হবে। এরপরই কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, দলের শৃঙ্খলা মেনে কাজ করতে হবে। আর তা পারলে দল ছেড়ে দিন। কেউ দু-নৌকায় পা দিয়ে চলে নিজেকে এবং দলকে ডোবাবেন না।

অবিরাম লড়াই, সাফল্য আসবেই
বিজেপি নেতাদের নিজের জীবনের কথা বলে পরামর্শ দেন, লড়াইয়ের ময়দান থেকে পিছিয়ে আসলে হবে না। অবিরাম লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। তাহলে সাফল্য আসবেই। বিজেপি একদিন বাংলা ক্ষমতার স্বাদ পাবেই। কিন্তু তার আগে যাঁরা দু-নৌকায় পা দিয়ে চলছেন, তাঁদের সাবধান হতে হবে। তাঁরাই কিন্তু দলকে ডোবাচ্ছেন তা করলে হবে না।

তৃণমূলে পা বাড়িয়ে আছে এক শ্রেণি
তাঁর এই কথায় তিনি কাদের টার্গেট করলেন, তা নিয়ে দলের অন্দরেই চর্চা শুরু হয়েছে। বাংলায় আসা থেকে তিনি বারবার বলছেন, তৃণমূলের বিধায়করা তাঁর সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রাখছেন। তিনি এই মর্মে সংখ্যাও দাবি করেন। আবার জানানা, তৃণমূলে যাঁরা সৎ নেতা তাঁরাই যোগাযোগ করছেন। আর সেইসঙ্গে তিনি বিজেপিতেও যে এক শ্রেণি তৃণমূলে পা বাড়িয়ে আছে, সেই জল্পনাও তুলে ধরেন।












Click it and Unblock the Notifications