নিয়োগ তদন্তে নয়া মোড়! ইডিকে ফোন করে বয়ান রেকর্ডের কথা জানালেন 'নিখোঁজ' গোপাল
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে নয়া মোড়। গোপাল কি তাহলে সব ফাঁস করে দেবে?
অবশেষে খোঁজ মিলল গোপাল দলপতির! নিয়োগ দুর্নীতিতে গত কয়েকদিনে একাধিকবার তাঁর নাম সামনে এসেছে। এমনকি ধৃত হুগলির যুবনেতা কুন্তলের মুখেও গোপাল দলপতির কথা উঠে এসেছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে মোটা টাকা নেওয়ারও অভিযোগ এই গোপাল দলপতির বিরুদ্ধে। আর এরপরেই তদন্তকারী সংস্থা গোপালের বিরুদ্ধে খোঁজখবর করতে শুরু করে। দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নাকি খোঁজ নেই। কার্যত সে 'নিখোঁজ'! যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়ে যায়।

ইডিকে ফোন করেন 'রহস্যময়' ওই ব্যক্তি
আর এরপর থেকেই গোপাল দলপতির খোঁজ শুরু হয়। যদিও আজ সোমবার নিজে থেকেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে ফোন করেন 'রহস্যময়' ওই ব্যক্তি। সকাল ১১ টা নাগাদ তদন্তকারীদের ফোন করেন বলে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর বয়ান রেকর্ড করাতে চান বলেও নাকি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন গোপাল। আর এরপরেই আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার তাঁকে ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে গোপালের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। '

সস্ত্রীক তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল
বলে রাখা প্রয়োজন, নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ট তাপস মণ্ডল যেমন একটা সময়ে চিটফান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তেমনই গোপাল দলপতিও চিটফান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁকে ২০২০-র ১১ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। গুয়াহাটি পালানোর সময় সস্ত্রীক তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এর পরেই দিল্লি নিয়ে গিয়ে তিহারে রাখা হয়েছিল তাকে। যদিও পরে জামিন পান গোপাল। '

তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দেবে গোপাল?
আর এরপর থেকেই গোপালের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট জানতে পারে। ২০২০ সালে তিহার জেলে বন্দি ছিলেন ওই ব্যক্তি। ইডি ওই ব্যক্তির খোঁজে দিল্লির ইকনোমিক অফেন্স উইংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তাঁরাও গোপালের বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি। এমনকি তিহাড় জেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ইডিকে কোনও তথ্য তাঁরা দিতে পারেননি। এমনকি বাংলাতে গোপালের বাড়ির সঙ্গেও যোগাযোগ করেন ইডির আধিকারিকরা। সেখান থেকেও তেমন কোনও তথ্য পাননি তদন্তকারীরা। আর তা ঘিরে ক্রমশ রহস্য তৈরি হচ্ছিল। যদিও এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে গোপালের যোগাযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এমনকি নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নয়া মোড় খুলে যেতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, কুন্তলের দাবি নিয়োগ দুর্নীতিতে মোটা টাকা তুলেছে গোপাল। আর তিনি তাপসের হয়ে কাজ করেছেন বলেও দাবি তাঁর।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications