জমি বিবাদের জের, অতি সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালে হাওড়ার শ্যামপুরের ওসি
দুষ্কৃতীর খোঁজে গিয়ে প্রাণ সংশয় শ্যামপুর থানার ওসি সুমন দাসের। শুক্রবার রাতে মোতিয়ার মুন্সি নামে এক ব্যক্তির খোঁজে শ্যামপুরের মুন্সিপাড়ায় যায় পুলিশ। সেখানেই পুলিশের ওপর হামলা হয়। গুরুতর জখম হন ওসি
দুষ্কৃতীর খোঁজে গিয়ে প্রাণ সংশয় শ্যামপুর থানার ওসি সুমন দাসের। শুক্রবার রাতে মোতিয়ার মুন্সি নামে এক ব্যক্তির খোঁজে শ্যামপুরের মুন্সিপাড়ায় যায় পুলিশ। সেখানেই পুলিশের ওপর হামলা হয়। গুরুতর জখম হন শ্যামপুর থানার ওসি।

অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায় শনিবার ভোরে মিন্টপার্কের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে শ্যামপুর থানার ওসি সুমন দাসকে। সিটি স্ক্যানে পেট ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। মাথার পিছনের আঘাত গুরুতর। মাথায় রক্ত জমাট বেধে রয়েছে বলেও চিকিৎসকরা। রাতে হাসপাতালে ভর্তি করার পর থেকে আর জ্ঞান ফেরেনি ওসির। সুমন দাসের চিকিৎসায় ৯ সদস্যের মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। জ্ঞান না ফেরায় অস্ত্রোপচারও সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে সুমন দাসকে।

হাওড়ার শ্যামপুরে জমি নিয়ে বিবাদ মুন্সি পরিবারে। মোতিয়ার মুন্সি ও হানিফ মুন্সির মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের। এর আগে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ গেলে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগও ওঠে। এরপর থেকেই ফেরার ছিল অভিযুক্ত মোতিয়ার মুন্সি।

শুক্রবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এলাকায় হানা দেয় শ্যামপুর থানার পুলিশ। মূলত মোতিয়ার মুন্সির এলাকায় ফেরার খবর পেয়েই পুলিশ হানা দেয়। শুক্রবার রাতেও ফের একইভাবে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। বাঁশ ও লোহার রড দিয়ে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। হামলার মধ্যে পড়ে যান শ্যামপুর থানার ওসি সুমন দাসও। ওসি ছাড়াওো এসআই তরুণ পুরকায়েত এবং বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীও আহত হন।
পুলিশের ওপর হামলার খবর পেয়েই এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনাস্থলে যান হাওড়ার পুলিশ কমিশনার ডিপি সিং। ঘটনাস্থলে যান এসপি গৌরব শর্মাও। অভিযুক্ত মোতিয়ার মুন্সিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আটক করা হয়েছে আরও বেশ কয়েকজনকে।












Click it and Unblock the Notifications