ক্যানিং-রাজগঞ্জের পর এবার হাওড়া! পরপর ৩ দিনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু তৃণমূলের ৩ সংখ্যালঘু নেতার
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং (canning), জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের (Rajgunge) পরে এবার হাওড়া (Howrah)। চার দিনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু তিন সংখ্যালঘু নেতার। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তৃণমূলের (Trinamool Congress) অভিযোগ বিজেপির (B
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং (canning), জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের (Rajgunge) পরে এবার হাওড়া (Howrah)। চার দিনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু তিন সংখ্যালঘু নেতার। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তৃণমূলের (Trinamool Congress) অভিযোগ বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে। বিজেপির তরফে এই দাবি উড়িয়ে বলা হয়েছে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বেই সব জায়গাতেই এই ঘটনা ঘটছে।

হাওড়ায় মৃত্যু তৃণমূল নেতার
সোমবার রাতে বাড়ির সামনে বসে থাকার সময়ে হাওড়ার নাজিরগঞ্জে জেলা সদরের সংখ্যালঘু সেলের সম্পাদক ওয়াজুল খানকে খুব কাছ থেকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই নেতা আন্দুলের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ওই নেতার ভাই গুড্ডু খান বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। অন্যদিকে গুড্ডুর স্ত্রী নাসরিন খাতুন হাওড়া পুরসভায় ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাসকদলের প্রাক্তন কাউন্সিলর। এই খুনের পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

রাজগঞ্জে তৃণমূল নেতার মৃত্যু
রবিবার রাতে রাজগঞ্জের ভুটকি গণ্ডার মোড় এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সুলেমান আলি যখন বসেছিলেন, সেই সময় বাইকে আসা দুই দুষ্কৃতী মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। গুলিতে আহত হন লটারি বিক্রেতাও। দুজনকেই শিলিগুড়ির বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ওই নেতার মৃত্যু হয় হাসপাতালে। তৃণমূলের তরফ থেকে বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হলেও, পুলিশের তরফ থেকে এই ঘটনায় ব্যবসায়িক কোনও দ্বন্দ্ব আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ক্যানিং-এ বাড়ির সামনে খুন তৃণমূল নেতা
শনিবার রাতে ক্যানিং-এর নিকারিঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বেলেখালি গ্রামে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন এলাকায় যুব তৃণমূল সভাপতি মহরম শেখ। পিছন থেকে অটোতে চেপে আসা দুষ্কৃতীরা প্রায় বাড়ির সামনেই তাঁর ওপরে একাধিক গুলি করে। ওই নেতাকে রাতেই ক্যানিং থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে তাঁকে বাঁচানো যায়নি। এই ঘটনায় নেতার স্ত্রী স্থানীয় তৃণমূলর নেতৃত্বের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। পরে পুলিশের তরফ থেকে তিনজনকে এই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এরা সবাই তৃণমূলেরই কর্মী। গ্রেফতার হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন নিকারিঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পাঁচু সাফুই।

বিজেপির তরফে তৃণমূলকেই নিশানা
দলের নেতাদের ওপরে হামলা ও মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে মূলত বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হলেও, বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ক্যানিং-এর ঘটনার কথা তুলে ধরে গেরুয়া শিবির বলেছে বখরা নিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এই ধরনের ঘটনা। আগামীতে এই ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে গেরুয়া শিবিরের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications