মহিলার আর্ত চিৎকার শুনেই ছুটলেন শুভেন্দু, বাঁচালেন গাড়িতে আটক দম্পতিকে
এবারই প্রথম নয়, এর আগেও মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে গাড়ি থেকে নেমে দুর্ঘটনাগ্রস্থ মানুষকে উদ্ধারে হাত লাগাতে দেখা গিয়েছিল। আবারও তিনি কনভয় থামিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্থ দম্পতিকে উদ্ধার করলেন।
ফের মানবিকতার নজির সৃষ্টি করলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাড়ি ফেরার পথে গাড়িতে আটকে থাকা দম্পতিকে উদ্ধার করলেন নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে। তাঁদের চিকিৎসারও ব্যবস্থা করলেন তিনি। নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে মন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন ওই দম্পতি।

রবিবার রাতে জাতীয় সড়ক ধরে পূর্ব মেদিনীপুরে বাড়ির পথে ছুটে যাচ্ছিল মন্ত্রীর গাড়ি। তখনই তাঁর কানে এসেছিল এক মহিলার আর্ত চিৎকার। তা শুনেই তিনি চালককে গাড়ি থামাতে নির্দেশ দেন। এগিয়ে গিয়ে দেখেন একটি গাড়ি নয়ানজুলিতে গড়িয়ে গিয়েছে। তাতে আটকে রয়েছেন এক দম্পতি। তড়িঘড়ি শুভেন্দুবাবু তাঁদের উদ্ধারের বন্দোবস্ত করেন। দু-জনকেই কাঁথি হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসার জন্য।
রবিবার রাতে দিঘা-নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ শুভেন্দুবাবু বাড়ি ফেরার পথে দম্পতিকে উদ্ধারের পর জানতে পারেন কলকাতার বাসিন্দা সচিন তামান্না ও তাঁর স্ত্রী দিঘা যাচ্ছিলেন। দইশই-এর কাছে বাঁকের মাথায় গাড়িটি রাস্তা থেকে নয়ানজুলিতে গড়িয়ে যায়। তবে পুরোপুরি নয়ানজুলিতে নেমে যায়নি গাড়িটি, রাস্তার নীচে গড়িয়ে একটি গাছে আটকে গিয়েছিল। গাড়িটির দরজা খোলা যাচ্ছিল না। এই অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকেন সচিন ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী।
এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে উপায় না পেয়ে চিৎকার শুরু করেন দুজনে। সেই চিৎকার শুনেই মন্ত্রী ছুটে যান ঘটনাস্থলে। মন্ত্রীই খবর দেন পুলিশকে। সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রীর তলবে হাজির হয়ে যায় অ্যাম্বুল্যান্সও। ত্রাতার ভূমিকা পালন করে মন্ত্রী দুর্ঘটনাগ্রস্থ দম্পতিকে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠান। তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।এরপর বাড়ির দিকে রওনা দেন শুভেন্দুবাবু।
এবারই প্রথম নয়, এর আগেও মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে গাড়ি থেকে নেমে দুর্ঘটনাগ্রস্থ মানুষকে উদ্ধারে হাত লাগাতে দেখা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর ভিড় দেখে গাড়ি থেকে নেমে গিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন। তারপর মাস কয়েক আগে এক বৃদ্ধের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন শুভেন্দুবাবু। ৪১ নম্বর জাতীয় সড়কে অসুস্থ অবস্থায় পড়েছিলেন ওই বৃদ্ধ। তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার বন্দোবস্ত করেছিলেন মন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications