দিদির কড়া নির্দেশ, ৬৫ বছরে পা দিয়েও বিয়ের পিঁড়িতে মমতার সরকারের মন্ত্রী
বয়স ৬৪ পেরিয়ে ৬৫ হয়ে গিয়েছে। শরীরে বার্ধক্যের ছাপ স্পষ্ট। বার্ধক্যের সঙ্গে শরীরে বাসা বেঁধেছে বয়সজনিত নানা রোগ। তবু তাঁকে বসতেই হচ্ছে বিয়ের পিঁড়িতে।
বয়স ৬৪ পেরিয়ে ৬৫ হয়ে গিয়েছে। শরীরে বার্ধক্যের ছাপ স্পষ্ট। বার্ধক্যের সঙ্গে শরীরে বাসা বেঁধেছে বয়সজনিত নানা রোগ। তবু তাঁকে বসতেই হচ্ছে বিয়ের পিঁড়িতে। দিদির নির্দেশ বলে কথা। তাই এই বুড়ো বয়সেও বিয়েতে রাজি হয়েছেন মন্ত্রী গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমন কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়কের বিয়ে নিয়ে এখন সাজো সাজো রব।

স্ত্রী প্রয়াত হওয়ার পর
মন্ত্রীর দীর্ঘদিনের জীবন সঙ্গিনী হাফিজা বিবি প্রয়াত হয়েছেন বছর দেড়েক আগে। তিনি ছেলে রয়েছে তাঁদের। প্রত্যেকেই থাকেন বিদেশে। মন্ত্রীর দেখশোনা করার লোকের বড্ড অভাব। পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ বলতে বৃদ্ধা দিদি। তাঁর পক্ষে দেখাসোনা করা এই বয়সে সম্ভব হচ্ছে না।

দিদির চাপে ভাই রাজি
তাই সেই দিদিই চাপ দিয়ে ভাইকে রাজি করিয়েছেন। তাই তো ৬৫ বছরে পা দিয়েও গিয়াসউদ্দিন বিয়ে করতে চলেছেন। নিজে মুখেই স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন, বাড়ির চাপ আছে, নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁকে। তাই দিদির পরামর্শ মেনে বিয়েটা করতেই হচ্ছে।

এক গ্লাস জল তুলে দেওয়ার লোক
এখনও তিনি উস্তির বাড়ি থেকে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে শহরে এসে মন্ত্রিত্ব সামলান। তার উপর দলীয় সংগঠনের কাজ তো আছেই। এলাকাও তাঁর নখদর্পণে থাকে। তিনি ঘুরে বেড়ান তাঁর বিধানসভা ক্ষেত্রে। এই অবস্থায় তাঁকে দেখার লোক নেই। নেই এক গ্লাস জল তুলে দেওয়ার মতো কেউ।

তৃণমূলের মন্ত্রীমহলও বেশ খুশি
দিদি তাঁকে পরামর্শ দিয়েছেন ফের বিয়ে করার। মন্ত্রীর জন্য পাত্রী দেখাও হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছেন কনে দক্ষিণ ২৪ পরগনারই বাসিন্দা। এখন শুধু চার হাত এক হওয়ার পালা। গিয়াসের এই শুভ খবরে তৃণমূলের মন্ত্রী মহলেও বেশ খুশির আমেজ। সবাই-ই বলছেন, গিয়াস খুব সমস্যায় ছিল। ওর বিয়েটা করা জরুরি। সেইসঙ্গে তাঁরা নিমন্ত্রণ প্রত্যাশীও।












Click it and Unblock the Notifications