Heat Wave: সূর্য ডুবলে কি ঠান্ডা হবে হাওয়া? সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিচ্ছে অন্য হিসেব, রাতের ঘুমেও বারোটা

গোটা দক্ষিণবঙ্গ েযন মঙ্গলগ্রহে পরিণত হয়েছে। গনগনে সূর্য গিলে খাচ্ছে সকাল থেকে দুপুর। কিন্তু আশ্চর্যের কথা হল সূর্য ডুবলেও মিলছে না রেহাই। একই গরকম অনুভূত হচ্ছে রাতে এবং দিনে। কিন্তু এমনটা হওয়ার কথা নয়। রাতের তাপমাত্রা সাধারণ কমে।

কোথায় গড়মিল হল হিসেবে। গরমের সমীকরণ এবার যেন সব ফেল করে গিয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা শহরের তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছিল দুপুরে। অনেকেই হয়তো ভাবছেন দুপুরটা কোনও মতে কাটিয়ে দিতে পারলেই হল। সন্ধে নামলেই আস্তে আস্তে ঠান্ডা হতে শুরু করবে আবহাওয়া। ঠান্ডা মানে অন্তত সেই প্রচণ্ড প্রবল উত্তাপ তো থাকবে না।

Heat Wave

কিন্তু কোথায় সেসব। সূর্য ডুবে অন্ধকার হয়ে গেলেও তো কমছে না গরম। হাসফাঁস পরিস্তিতি। গরম হাওয়া নামছে ফ্যান বেয়ে। ঘুমের চোদ্দটা। তার সঙ্গে আবার দোসর লোডশেডিং। বিছানায় গা ছোঁয়ানো যাচ্ছে না। মেঝের দশাও খুব একটা ভাল নয়। তাতে ভেজা কাপড় দিয়ে মেঝে মুছে একটু জিরোনোর চেষ্টা করা আরকি। কিন্তু সেটাও কয়েক মিনিট স্থায়ী। তারপরে আবার যেইকার সেই। মেঝেতেও ছ্যাকা লাগছে গায়ে।

কেন এই পরিস্থিতি? আবহাওয়াবিদরা বলছেন এর কারণ হল সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড বৃদ্ধি। গরমে আমরা সবাই সর্বোচ্চ তাপমাত্রার দিকে শ্যেনদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি। কখন ৪০ ডিগ্রির উপরে উঠল। কিন্তু সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নিয়ে খুব একটা মাথা কেউ ঘামাই না। আর রাতের এই অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণ লুকিয়ে রয়েছে এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রাতেই।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে গতকাল থেকে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলার রাতের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। যেমন বাঁকুড়া, দমদম, কলকাতা। এই সব জায়গায় দিনের তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রিতে পৌঁছলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে হয়ে যাচ্ছে ২৯-৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার মধ্যে খুব একটা ফারাক থাকছে না। আর এই ফারাক যত কমবে তত গরম আরও বেশি করে অনুভূত হবে। রাত দিনের তাপমাত্রার ফারাকও কমে যাবে।

তার উপরে কলকাতা শহরে ইট-কাঠের জঙ্গলে রিফ্লেক্ট হিট বেশি করে বাড়ছে। তাতে রাতে রেহাই পাওয়া তো দূরের কথা গরম আরও বাড়ছে। দিন-রাত কোনও সময়ই রেহাই পাচ্ছেন না কেউ। ফলে গোটা কলকাতা শহর একটা হিট হাইল্যান্ডে পরিণত হয়েছে। আর দমদম যেহেতু কলকাতা লাগোয়া জায়গা সেকারণে সেখানেও রিফ্ল্যেক্ট হিটের পরিমান বাড়ছে। ফলে রাতেও অসহনীয় গরমে কাটাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

অপেক্ষাকৃতভাবে রাতে ঘুমোত পারছেন পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুরের মতো প্রখর উত্তাপে থাকা বাসিন্দারা। সেখানে দিনের তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রিতে পৌঁছে গেলেও রাতের তাপমাত্রা কিন্তু ২৫ ডিগ্রিতে নেমে যাচ্ছে। তার একমাত্র কারণ সেখানে সেই বিপুল পরিমানে এখনও নগরায়ণ হয়নি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+